প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫
সাক্ষাৎকার: মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী
কারিগরি শিক্ষা শুধু চাকরি নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করে

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে বিশ্বজুড়ে বদলে যাচ্ছে কাজের ধরন ও দক্ষতার চাহিদা। এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্বও বাড়ছে। চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি জ্ঞান, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। উচ্চশিক্ষা, চাকরি ও উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ। কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব, প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী।
চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ সম্পর্কে কিছু বলুন।
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : চাঁদপুর শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে, ডিসি অফিসের সন্নিকটে চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা ও ভিত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে এ প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৯৫ সাল থেকে এখানে একাডেমিক কোর্স হিসেবে এসএসসি ভোকেশনাল ও এইচএসসি ভোকেশনাল কোর্স চালু হয়। ২০০৩ সাল থেকে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করা হয়।
চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রায় পাঁচ একর জায়গার ওপর সুন্দর পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এখানে একটি পাঁচতলা একাডেমিক ভবন, একটি তিনতলা ভবন, একটি দোতলা ওয়ার্কশপ এবং আরও তিনটি একতলা ওয়ার্কশপ রয়েছে। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এটি বড় পরিসরের একটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থাও সহজ।
আপনার শিক্ষকতা জীবন সম্পর্কে জানতে চাই।
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : ২০০৪ সাল থেকে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে শিক্ষকতা জীবন শুরু করি। এর আগে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। মূলত আমি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। শিক্ষকতা পেশায় আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। এ পেশা আমি উপভোগ করি এবং আন্তরিকভাবে ধারণ করি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরাও পেশার প্রতি আন্তরিক। প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁদের দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যের প্রতি সচেতনতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে সচেষ্ট।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে প্রথাগত সাধারণ শিক্ষার চেয়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কীভাবে শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে রাখতে পারে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অনেক কিছু ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। উন্নত বিশ্বে চালক ছাড়াই গাড়ি চালানো হচ্ছে, শিল্পকারখানায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতার জন্য কারিগরি শিক্ষা খুবই দরকার। তবে শুধু কারিগরি শিক্ষা অর্জন করলেই হবে না। এর পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত জ্ঞানও প্রয়োজন। তা না হলে এই যুগে আমরা পিছিয়ে পড়ব। আমাদের বিশাল যুবসমাজকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে না। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য আরও কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যন্ত্রপাতি ও কোর্স কারিকুলাম সময়োপযোগী করতে হবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডও সিলেবাস পরিবর্তন করে এগুলো বিশ্বমানের করার চেষ্টা করছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানেও নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হচ্ছে।
কারিগরি শিক্ষাকে প্রধান ধারার শিক্ষা হিসেবে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সমাজের মনস্তাত্ত্বিক বাধাগুলো দূর করতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনারা কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : কারিগরি শিক্ষাকে প্রধান ধারা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত। জার্মানি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও চীনের মতো উন্নত দেশগুলো কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে। জার্মানিতে ৬৫ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত। সিঙ্গাপুরেও ৬০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোতে এই হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মতো। অথচ আমাদের দেশে এখনো কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতের হার প্রায় ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ। আমার মনে হয়, এটি দেশের উন্নয়নের পথে বড় একটি বাধা। তাই কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
চাঁদপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কর্মসংস্থান, জাতীয় শিল্পায়ন কিংবা ফ্রিল্যান্সিং ও উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে কতটা প্রস্তুত হয়ে বের হচ্ছে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : কারিগরি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরি করা। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল, অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং বা কম্পিউটার বিষয়ে পড়াশোনা করে অনেকে নিজেরাই ছোট ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। কেউ ইলেকট্রিক্যাল ফার্ম করছে, কেউ কম্পিউটার নিয়ে কাজ করছে। এ ধরনের ছোটখাটো উদ্যোক্তা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি আমাদের প্রতিষ্ঠানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বড় একটি অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানটি আমাদের সাবেক কৃতী শিক্ষার্থী মো. মাইনুল হাসান দুলন স্পন্সর করেছেন। মো. মাইনুল হাসান দুলন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সুপরিচিত। শিক্ষার্থীদের সফলতা নিয়ে আমরা গর্ব করি। তবে উদ্যোক্তা হওয়া শিক্ষার্থীর নিজের ইচ্ছাশক্তির ওপরও নির্ভর করে। আমরা তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি করে দিই। এরপর কেউ উদ্যোক্তা হয়, কেউ চাকরি করে, আবার কেউ উচ্চশিক্ষা নেয়। বাংলাদেশের চাকরির বাজারেও কারিগরি শিক্ষার ভালো চাহিদা রয়েছে। বিশ্বেও এর চাহিদা আছে। বড় কথা হলো, আমরা কতটুকু দক্ষতা অর্জন করতে পারলাম এবং সেই দক্ষতাকে কতটুকু কাজে লাগাতে পারলাম।
আপনাদের বিগত বছরগুলোর সাফল্য কেমন?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা পেশার প্রতি আন্তরিক এবং দায়িত্ব-কর্তব্যের ব্যাপারে সচেতন। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে সচেষ্ট। আমাদের লক্ষ্য, এই ধারাবাহিকতা আরও ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়া।
আপনার প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষায় পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ কেমন থাকে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে ব্যবহারিক দক্ষতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমাদের এখানে প্রতিদিন ব্যবহারিক ক্লাস হয়। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণিতে তিন ঘণ্টা করে ব্যবহারিক ক্লাস রয়েছে। আমাদের একাদশ শ্রেণির ট্রেডসমূহ : ক্লদিং এন্ড গার্মেন্টস ফিনিশিং, ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস্ এন্ড মেইনটেন্যান্স, অটোমোবাইল ও কম্পিউটার অ্যান্ড আইওটি সিস্টেমস্। প্রতিদিন মোট আটটি পিরিয়ডের মধ্যে তিনটি ব্যবহারিক ক্লাস হয়। এ ছাড়া পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, ড্রয়িং ও কমন বেসিকের আলাদা ল্যাব রয়েছে। কম্পিউটার শিক্ষার জন্যও আলাদা ল্যাব আছে। কয়েকটি ট্রেডে কিছু যন্ত্রপাতি এখনো আসেনি। ৬৪টি টেকনিক্যাল উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আশা করছি, এ বছরই পূর্ণাঙ্গ যন্ত্রপাতি পাওয়া যাবে।
শিক্ষার্থীদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদার উপযোগী করে গড়ে তুলতে আপনারা কী ধরনের ল্যাব ও ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা রাখছেন?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : প্রত্যেকটি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের এক মাসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট করতে হয়। নবম শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষা, এসএসসি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার পর এক মাস করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট করতে হয়। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং শিল্পের বাস্তব ধারণা দেওয়া। এতে তাদের দক্ষতা বাড়ে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের নম্বরও রয়েছে। কেউ এতে অংশ না নিলে পরীক্ষায় ফেল করে। অর্থাৎ এটি বাধ্যতামূলক।
বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। এ বিষয়ে উচ্চাকাক্সক্ষী শিক্ষার্থীদের জন্য আপনাদের প্রতিষ্ঠান কী ধরনের গাইডলাইন বা সুযোগ নিশ্চিত করছে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : আমাদের শিক্ষার্থীরা সাধারণ বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর পাশাপাশি প্রযুক্তিগত বিষয়ও পড়ে। ফলে তারা একদিকে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হিসেবে এগিয়ে যায়, অন্যদিকে একটি কারিগরি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে। এসএসসি ভোকেশনাল পাস করার পর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং করার সুযোগ রয়েছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সরাসরি চতুর্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগও আছে। আবার কেউ চাইলে বিজ্ঞানের বিষয়ে অনার্স করতে পারে। জাতীয় দক্ষতা সনদায়নের লেভেল ওয়ান থেকে লেভেল ফোর পর্যন্ত রয়েছে। ইন্টারমিডিয়েট পাস করা একজন শিক্ষার্থী লেভেল ফোর নিতে পারে। এসব সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডা ও জাপানের মতো দেশে দক্ষতার মূল্যায়ন করা হয়। ফলে এসব দক্ষতা ও সনদ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
এসএসসিতে আশানুরূপ ফল না পেয়ে যারা একটু হীনম্মন্যতায় ভোগে, তাদের জন্য কারিগরি শিক্ষা কীভাবে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : অনেক অভিভাবক মনে করেন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয়। ধারণাটি ঠিক নয়। এখানে দক্ষতার পাশাপাশি বিজ্ঞানের বিষয়গুলোও পড়ানো হয়। আমাদের পরীক্ষা পদ্ধতিও ধারাবাহিক। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা আলাদাভাবে হয়। ধারাবাহিক মূল্যায়ন, ব্যবহারিক নম্বর ও আচরণের নম্বরও রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করলে এবং ভালোভাবে পড়াশোনা করলে এখান থেকে ভালো ফল করার সুযোগ অনেক বেশি।
আর ভালো ফল করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়ার বিশেষ কোনো ক্ষেত্র রয়েছে কি?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : অবশ্যই। আমি অভিভাবকদের বলব, ভালো শিক্ষার্থীদের আমাদের প্রতিষ্ঠানে দিলে আমরা আরও ভালো করতে পারব। কোনো শিক্ষার্থীর গ্রেড যদি এ মাইনাস থাকে, সে এখানে ঠিকমতো পড়াশোনা করলে এ প্লাস পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমাদের সে মানের শিক্ষক ও ব্যবস্থা আছে। আমাদের এখানে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে সাধারণ বিষয়ের পাশাপাশি কর্মমুখী প্রকৌশল শিক্ষা রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বেসিক ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে ধারণা পায়, যাতে ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তৈরি হতে পারে। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছে।
বর্তমানে চাঁদপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কী ধরনের স্বপ্ন ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে?
মো. হারুনুর রশিদ চৌধুরী : বাংলাদেশের চাকরির বাজারে কারিগরি শিক্ষার ভালো চাহিদা রয়েছে। বিশ্বেও এর চাহিদা আছে। মূল বিষয় হলো, আমরা কতটুকু দক্ষতা অর্জন করতে পারলাম এবং সেই দক্ষতাকে কতটুকু কাজে লাগাতে পারলাম। আমাদের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। আমরা সেভাবেই কাজ করছি। আশা করি, প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুর শহরের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাবে। চাঁদপুরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও চাকরির বাজারে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো অবদান রাখবে।







