প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:০১
মুন্সীগঞ্জে হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে সাধারণ মানুষ
মুন্সীগঞ্জে হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে সাধারণ মানুষ গত কদিন যাবৎ সন্ধ্যা রাতে ব টিপটিপ বৃষ্টির মত ভোরে তীব্র কুয়াশা ও সকাল হলে বারে শীতের তীব্রতা। অপরদিকে সূর্যের আলো মাঝে মাঝে আলো উঁকি দেয় আবার অস্ত যায় তার সাথে বইছে উত্তরের তীব্র বাতাস-সব মিলিয়ে শীতে জবুথবু সাধারণ মানুষ সকাল হতে শীতের তীব্রতা থাকায় বিপাকে পড়ছেন কর্মজীবী বিশেষ করে দৈনন্দিন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তির কাতারে।
শীতের কারণে মাঠ-ঘাট প্রায় ফাঁকা। ফসলের ক্ষেতে কৃষকে তেমন একটা কাজ করতেও দেখা যায়নি। রিক্সাভ্যান-ইজিবাইকের সংখ্যাও কম রয়েছে রাস্তায়। অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হচ্ছে না সাধারণ মানুষ। ফলে জেলার তৃণমূল পর্যায়ের হাট-বাজারেও লোকসমাগম অনেক অংশে কম। অটোচালাক মোঃ সাব্বির এই প্রতিনিধিকে জানান, সকাল থেকেই প্রচুর শীত। এই কয়েক দিন যাবৎ সকালে তেমন কোনো যাত্রীর দেখা নাই। যাত্রী হয় অল্প আবার বিকালে শীতেরতীব্রতা বাড়লে যাত্রী পাওয়া যায় না । আমাদের মত সাধারণ মানুষ এই ঠাণ্ডার ভিতর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো বহু কষ্টকর। আজকে সারাদিন বেশি ভাড়া মারতে পারি নাই।
নিমতলী বাসিন্দা মোঃ আঃ রহমান জানান, গত কয়েকদিন ধরেই প্রচুর শীত পড়ছে। তবে আজ সকাল থেকে শীত বেশি। উত্তরের বাতাসের কারণে শীত বেড়েছে। এর মধ্যে আবার রোদ নেই। সব মিলিয়ে মানুষের জীবন অনেক কষ্টের। স্থানীয় কৃষক মোঃ সালাম, মোঃ আজিজুল , মোঃ সোহাগ জানান, শীতের কারণে কিছুদিন যাবৎ ক্ষেতে যেতে পারিনি। ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া কষ্টকর। আমাদের মতো বয়স্কদের কাছে শীত বেশি মনে হয়। হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসে।
উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীত বিরাজ করছে আর এই কনকনে ঠাণ্ডায় জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের জন সাধারণ আর ছিন্নমূল মানুষেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। এভাবে বৈরি আবহাওয়া বিরাজ করতে থাকলে জনজীবন বিপর্যস্ত হবে বলে জানান খেটে খাওয়া মানুষেরা। ২৩ জানুয়ারি ভোর সাতটায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস আরো নিচে নেমে পড়ে কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।