বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ২২:০৩

সাদ্রা মাদ্রাসার কমিটি গঠনে অপপ্রচারের অভিযোগ !

কামরুজ্জামান টুটুল।।
সাদ্রা মাদ্রাসার কমিটি গঠনে অপপ্রচারের অভিযোগ !

হাজীগঞ্জের সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি আব্দুল মজিব নামের স্থানীয় একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে মনোনয়ন প্রত্যাহারকৃত অভিভাবক সদস্য ফজলুল হকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

মাদ্রাসার অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মাদ্রাসা গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ৯জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আব্দুল কাইয়ুম, ইকবাল হোসেন ও গিয়াস উদ্দিন ব্যক্তিগতভাবে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এর পরে ফের সামাজিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আব্দুল মজিব, দিদার আলী ও হেলাল উদ্দিন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং তাদের মনোনয়ন ফি ফেরত নেন।

এর পরেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আশেক উল্যাহ খান মেম্বার, আহসান হাবিব মেম্বার ও মোহাম্মদ হাসান নির্বাচিত হন। তবে প্রিজাইডিং অফিসার তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি। ৯জনের মধ্যে ৬জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠে সদস্য ফজলুল হকের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এ অভিযোগটি করেন মজিব নামের স্থানীয় একজন। অথচ অভিভাবক সদস্য প্রার্থী আশেক উল্যাহ খান মেম্বার, আহসান হাবিব মেম্বার ও মনোনয়নপত্র প্রত্যহারকৃত প্রার্থী দিদার আলী এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আব্দুল মজিবসহ তিনজন স্বেচ্ছায় তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে মনোনয়ন ফি ফেরত নেন। যেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে তারা স্বাক্ষর করেছেন। চাঁদাবাজির বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

এ সময় বেশ ক'জন অভিভাবক সদস্য প্রার্থীসহ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লোকমান হোসেন মিজি, বাচ্চু মিজি, জসিম মিজি, হোসেন, আনাস বেপারী, ফারুক বেপারীসহ এলাকার অন্তত ১০/১৫ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আবু বকর বলেন, কারো কোনো অভিযোগ থাকলে তিনি নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি কিংবা শিক্ষা অফিস বা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তা না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এদিকে বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত মাদ্রাসার গভর্নিং বডির এডহক কমিটির সদস্য ফজলুল হক বলেন, মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন এবং অভিভাবক সদস্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে আব্দুল মজিব মাদ্রাসা ও আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা কথা রটায়।

এ বিষয়ে মজিব মুঠোফোনে জানান, ফজলুল হক এলাকায় কী করে সবাই জানে। সে বেকার, সে চলে কী করে তা সবার জানা আছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়