প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫, ১৪:৩৬
কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর পুনঃনির্মাণের দাবিতে ডিসি-ইউএনও কে আল্টিমেটাম
ফেনীর মহুরী নদীর উজান ও বন্যার পানিতে ভেঙ্গে তলিয়ে যাওয়া নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর পুনঃনির্মাণের দাবিতে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আল্টিমেটাম দিয়েছে এলাকাবাসী।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি ২০২৫) দুপুরে বসুরহাট বাজারের জিরো পয়েন্টে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এই আল্টিমেটাম দেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, চরপার্বতী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী হানিফ আনছারী, চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ আল হারুন, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা মোশারেফ হোসেন, চরহাজারী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, আমেরিকা প্রবাসী বিএনপি নেতা মোরছালীন শামীম, চরহাজারী হাফেজিয়া পাড়া কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আলী ডালিম, সেক্রেটারী গোলাম আযম, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর ফরহাদ শামীমের গাফিলতিতে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেই। মুছাপুর রেগুলেটর বিলীন হওয়ায় শত শত বাড়িঘর নদীতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত হেক্টর ফসলি জমি। বক্তারা রেগুলেটর বিলীনের জন্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে দায়ী করে বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মির্জার শাস্তি দাবি করেন। মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে কালক্ষেপণ করা হলে এসি রুমে ডিসি-ইউএনও চেয়ারে বসে থাকতে পারবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক (ডিসি) খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, শুধু অভিযোগ করলে হবে না। কাজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এ নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড স্টাডি করছে, কাজ চলছে। এটা বললেইতো এক দিনে কাজ হবে না।