প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:১০
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশে চ্যাম্পিয়ন ‘থিতান’, রানার আপ ‘গ্রীন পোলারিস’ ও ‘শূন্য’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা ‘স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ’-এর বাংলাদেশ পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘থিতান’। এতে প্রথম রানার আপ ‘গ্রীন পোলারিস লিমিটেড’ এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছে ‘শূন্য’।
|আরো খবর
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করে ‘কারা বাংলাদেশ’ ও ‘অ্যাক্সিয়ন বাংলাদেশ’।
দেশের সেরা ১০টি স্টার্টআপ দল চূড়ান্ত পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। বিজয়ী দলগুলো মোট ১ লাখ টাকা পুরস্কারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য ‘গ্লোবাল স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। সেখানে চ্যাম্পিয়ন দলটি ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (১০ কোটি টাকারও বেশি) বিনিয়োগ পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতা করবে। এছাড়া শীর্ষ ১০টি দল সান ফ্রান্সিসকোতে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের পেগাসাস টেক ভেঞ্চারসের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জাস্টিন জ্যাকসন, আইসিটি বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল।
প্রতিযোগিতায় স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. কামরুজ্জামান দিদার এবং প্রোগ্রাম ডিরেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন ‘লাইভ শপিং’-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মো. আশিক খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, "শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যেই আমাদের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ বিভাগ দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হলো।"
পেগাসাস টেক ভেঞ্চারসের প্রতিনিধি জাস্টিন জ্যাকসন বলেন, "বিশ্বের মেধাবী উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্মোচিত করার উদ্দেশ্যেই এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার আয়োজন।"
আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগ তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সংযোগ ঘটাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, যা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।








