প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬
ডিআইইউতে উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)তে 'উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়' শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) সাভারের বিরুলিয়ায় অবস্থিত ‘ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি’র আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত এ কর্মশালায় একাডেমিক উৎকর্ষ, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিক উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
|আরো খবর
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
ডিআইইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবিরের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএসি-এর পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, পরিচালক (অ্যাক্রেডিটেশন, কিউএ ও এনকিউএফ) অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, ডিআইইউ-এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল এবং ডিন (একাডেমিক অ্যাফেয়ার্স) ও আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল।
অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, মানদণ্ড নির্ধারণ, প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি এবং সুশৃঙ্খল নথিপত্র সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে বিএসি-এর প্রতিনিধি দল, ডিআইইউ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং 'প্রোগ্রাম সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কমিটি'র সদস্যরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরুর ক্ষেত্রে ডিআইইউ-এর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "আগামী দিনে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।" তিনি অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া নিয়ে শঙ্কিত না হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-উপাত্ত, একাডেমিক কার্যক্রম, অর্জিত সাফল্য ও প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি সঠিকভাবে সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের সুশৃঙ্খল নথিকরণ অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, "উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক অবস্থান ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি।"
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবির বলেন, "অ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত পরিবর্তনশীল শর্তাবলীর সাথে মানিয়ে নিতে প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি ও গুণগত মান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।"
কর্মশালার শেষ পর্বে বিএসি প্রতিনিধিরা অনুষদ সদস্যদের সাথে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সেখানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রযুক্তিগত, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়াবলী নিয়ে মুক্ত আলোচনা হয়। কর্মশালাটি ডিআইইউ-এর প্রাতিষ্ঠানিক মান নিশ্চিতকরণ ও স্বীকৃতির প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ








