প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২৩
গাছের সঙ্গে জড়িয়ে ১১শ' ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার!
জনস্বার্থে গাছটি অপসারণ করা জরুরি

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৭নং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম তরপুরচণ্ডী এলাকায় (বিষ্ণুদী রোড) গাছের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১১শ' ভোল্টের বিদ্যুতের লাইন। হাজী শরীয়ত উল্লাহ মসজিদ সংলগ্ন মিজান বেপারী বাড়ির সামনে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ক'টি গাছ। যে কোনো সময় বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
|আরো খবর
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ ভোল্টেজের এই তারটি পাশের গাছের ডালপালার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বাতাসে গাছ দুললে তারের সঙ্গে ঘর্ষণ হচ্ছে। এতে স্পার্কিংয়ের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ঝড়-বৃষ্টির সময় এখন। তাই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এলাকার স্কুলগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও মুসল্লিদের প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে এই পথে।
মো. আলমগীর ভূঁইয়া ও সোহরাব জমিদার জানান, যে কোনো সময় বড়ো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ বিভাগকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও তারা গাছের সাথে শুকনো একটি বাঁশ বেঁধে তারের দূরত্ব রেখেছে। এখন সেটি আবার একই অবস্থায় বাতাসের সাথে গাছের সাথে লাগলে বিদ্যুতায়িত হয়ে যায় গাছটি। এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে দক্ষিণ তরপুরচণ্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বাড়িতে যাওয়ার পথে গাছের সাথে হাত লাগলে বিদ্যুতের শক খেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়। ফলে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত গাছটির ডালপালা ছেঁটে বিদ্যুতের লাইনটি নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন করা হোক, যাতে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। অথবা গাছটি নিলামের মাধ্যমে কেটে ফেলার জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন।
চাঁদপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের দায়িত্বরত মেহেদী হাসানের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ডিসিকে/ এমজেডএইচ








