প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৯
স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সম্ভাব্য প্রার্থীর মুখোমুখি-৪৫
আমি নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবো
মো. জাকারিয়া খান

স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সম্ভাব্য প্রার্থীর মুখোমুখি-৪৫
|আরো খবর
আমি নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবো — মো. জাকারিয়া খান
আমি নির্বাচিত হলে আমার ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি ডাকাতিয়া নদীর ভাঙনের হাত থেকে ওয়ার্ডকে রক্ষা করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ওয়ার্ডের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করাই হবে আমার অগ্রাধিকার।
উপরের কথাগুলো বলেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮ নম্বর বাগাদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী মো. জাকারিয়া খান। নিচে তাঁর সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন সোহাঈদ খান জিয়া।
চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনি কেন ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে নির্বাচন করতে চান? আপনার পরিচিতি সম্পর্কে কিছু বলুন।
জাকারিয়া খান : আমি মো. জাকারিয়া খান। আমার পিতা মরহুম মো. কাজল খান। আমার বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮ নম্বর বাগাদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর গ্রামে। ডাকঘর: সাহেববাজার, জেলা: চাঁদপুর।
আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার ওয়ার্ডের অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েই ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এসব কাজ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
চাঁদপুর কণ্ঠ : নির্বাচিত হলে আপনার ওয়ার্ডের জন্য প্রথম তিনটি অগ্রাধিকারমূলক কাজ কী হবে?
জাকারিয়া খান : নির্বাচিত হলে আমার প্রথম অগ্রাধিকার হবে বন্যামুক্ত আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এছাড়া প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সঠিক তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি বরাদ্দ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ নিশ্চিত করব।
চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী? তা সমাধানে আপনার পরিকল্পনা কী?
জাকারিয়া খান : আমার ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা এবং ডাকাতিয়া নদীর ভাঙন। আমি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট সংস্কারের পাশাপাশি নদীভাঙন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব।
চাঁদপুর কণ্ঠ : ভোটাররা কেন অন্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে আপনাকেই ভোট দেবেন বলে আপনি মনে করেন?
জাকারিয়া খান : আমি জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে আমার ওয়ার্ডবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছি। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই আন্তরিকতা ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের মূল্যায়ন করে ভোটাররা আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন। অতীতেও আমি প্রার্থী হয়েছিলাম এবং ওয়ার্ডবাসী আমাকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করেছিলেন। তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
চাঁদপুর কণ্ঠ : উপরের প্রশ্নগুলোর বাইরে আপনার আর কোনো বক্তব্য থাকলে বলতে পারেন।
জাকারিয়া খান : অতিরিক্ত কোনো বক্তব্য নেই। আমার সাক্ষাৎকার প্রকাশের সুযোগ দেওয়ায় চাঁদপুর কণ্ঠকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








