রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:০৬

চাঁদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

১ শতাংশ ভোটও পাননি চারজন, জনসমর্থনে ভরাডুবি

শামীম হাসান।।
চাঁদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী তাদের জামানত হারাতে হয়েছে।

এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১ জন। ভোট গ্রহণ হয় একটি পৌরসভা ও উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ১১৮টি কেন্দ্রে। মোট ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৭ জন, যা শতকরা ৫৫.১৩ শতাংশ। বাতিল ভোট ৫ হাজার ৬৫৪টি বাদ দিলে বৈধ ভোট দাঁড়ায় ২ লাখ ১০ হাজার ৩৩টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিলো অন্তত ২৬ হাজার ২৫৪ ভোট।

ফলাফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান (চিংড়ি) ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ (ধানের শীষ) পান ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী (দাঁড়িপাল্লা) পান ৬৬ হাজার ৬৯২ ভোট। এই তিন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করায় তাদের জামানত অক্ষুণ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মকবুল হোসাইন (হাতপাখা) ৫ হাজার ২৬১ ভোট, ইসলামী ফ্রন্টের আব্দুল মালেক বুলবুল (মোমবাতি) ৫০৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মাহমুদ আলম (লাঙ্গল) ২৮১ ভোট, গণফোরামের মুনির চৌধুরী (উদীয়মান সূর্য) ২৪০ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন (ঘুড়ি) ১৮৪ ভোট পান। তারা কেউই বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশের ধারে কাছেও যেতে পারেননি।

মোট ভোটারের অনুপাতে বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামানত হারানো প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট ১ শতাংশেরও নিচে। বিশেষ করে চারজন প্রার্থী ১ শতাংশ ভোটও পাননি, যা নির্বাচনী রাজনীতিতে তাদের জনভিত্তির দুর্বলতা ও জনবিচ্ছিন্ন অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী এমএ হান্নান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫ হাজার ২০ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন। নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ছিলো বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়