শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২৭

প্রধানমন্ত্রীর আগমন চাঁদপুরের উন্নয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর আগমন চাঁদপুরের উন্নয়ন

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে পদার্পণ করছেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহীর আগমনে এ জেলার সর্বত্র তৈরি হয়েছে এক অনির্বচনীয় আনন্দমুখরতা। এ যেন দখিনা মলয়ের উৎসবে উদ্বেলিত জনপদ। তারই ছোঁয়া আমরা দেখতে পাচ্ছি বৃক্ষরাজির বর্ণিল শোভায়, উপেক্ষিত সড়কের নবায়নে এবং অপেক্ষমান জনতার উচ্ছ্বাস উৎসারণে। প্রায় দুদশক আগে যখন তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন, তখন তিনি এসে মাতিয়ে গিয়েছিলেন ইলিশের এই জনপদকে। আজ আবার কুড়ি বছর পরে তিনি এলেন স্ব-রূপে স্ব-মহিমায়।

দেশের চৌষট্টিটি জেলার মধ্যে হাতেগোণা কয়েকটি জেলায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান সফর করেছেন। এরমধ্যে নিজ জেলা বগুড়া, শ্বশুরের জেলা সিলেট এবং তাঁর পিতার হাতে খনন করা প্রথম খালের জেলা যশোর উল্লেখযোগ্য। এ তালিকায় ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ধন্য হলো এ জেলার সাধারণ মানুষ, যাদের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পদধূলি মানেই বিশাল আনন্দযজ্ঞ। এর পেছনে অবশ্য চাঁদপুর-৩ আসনের এবং চাঁদপুর-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যদ্বয়ের অবদান অনস্বীকার্য। চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন। এ কারণে চাঁদপুর সদরও প্রধানমন্ত্রীর সফরের তালিকায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে জায়গা করে নিয়েছে।

চাঁদপুরে এসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঘোষেরহাটস্থ বিশ্বখাল খননের উদ্বোধন করবেন, তারপর চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠ থেকে দেশের বাইশটি জেলার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মযজ্ঞের সূচনা করবেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহীর আগমনে সড়ক বিভাগ হতে শুরু করে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও পৌরসভাসহ অন্যান্য দপ্তরের নিরলস তদারকিতে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ছিলো চলমান। খানাখন্দকভরা রাস্তাঘাট এখন নতুন করে কার্পেটিংয়ের আওতায় এসেছে। ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হওয়া খাল সংস্কার শেষে যেন নিজের নিঃশ্বাস আবারও ফিরে পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আসবেন তাই জ্বলজ্বল করে জ্বলছে চাঁদপুরের চাঁদ সারা জেলাজুড়ে। জনমনে এই আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, যদি প্রধানমন্ত্রী সারা জেলা চষে বেড়াতে পারতেন তাহলে হয়তো তাঁর উছিলায় জেলার সকল অসুন্দর দূর হয়ে যেতো। চাঁদপুর হয়ে উঠতো সত্যিকারের রূপালি ইলিশের সুবর্ণ জনপদ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই শুভাগমনকে আমরা মনপ্রাণ উজাড় করে স্বাগত জানাই এবং আশা করি তাঁর আন্তরিকতা ও দূরদর্শিতায় চাঁদপুরের আন্তঃজেলা (চাঁদপুর-কুমিল্লা) সড়কটি অচিরেই চার লেনে উন্নীত হবে। চাঁদপুরে একটি ইকোনোমিক জোনের পাশাপাশি একটি ইপিজেড স্থাপন করা গেলে অত্র জেলার বিপুল সংখ্যক বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্থ ও দীর্ঘজীবন কামনা করি এবং তাঁর হাতে চাঁদপুরের উত্তরোত্তর উন্নয়ন ও রূপান্তর আকাক্সক্ষা করি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়