বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জে ৩ ডাকাত গ্রেফতার। পিকআপ সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫

কচুয়ায় ‘দেখা হয় নাই যাহা চক্ষু মেলিয়া’-

অনলাইন ডেস্ক
কচুয়ায় ‘দেখা হয় নাই যাহা চক্ষু মেলিয়া’-

‘কচুয়ায় কাঠের সাঁকোতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৬ বছর ধরে দু গ্রামবাসীর চলাচল’ শিরোনামে গত সোমবার চাঁদপুর কণ্ঠে মো. নাছির উদ্দিন একটি সচিত্র সংবাদ পরিবেশন করেছেন। সংবাদটিতে লিখা হয়েছে, খালের ওপর বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোই দু গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন। কচুয়া উপজেলার কচুয়া হতে হাজীগঞ্জ অভিমুখী সড়কের কোয়া ও কড়ইয়া দু গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় খালের ওপর এ সেতুটির অবস্থান। এ সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ১৬ বছর যাবৎ চলাচল করছে দু গ্রামের হাজারো মানুষ। কাঠের পাটাতন ভেঙ্গে পড়েছে, যে কোনো সময় বড়ো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বয়স্ক ও কর্মজীবীসহ হাজারো মানুষ এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছেন। জানা যায়, স্থানীয়দের উদ্যোগে দীর্ঘ ১৬ বছর আগে নির্মিত কাঠের সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ক’বছর আগে এ সাঁকোতে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ২জন শিশু মারা যায়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম ও রাতের বেলায় এ সাঁকোটি পারাপার হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। দ্রুত এই স্থানে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ সেতু নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। এতে মানুষের দুর্ভোগ যেমন কমবে, তেমনি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও দূর হবে। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিকল্প কোনো নিরাপদ সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অতি দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি মেরামত বা একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা। প্রতিনিয়ত অসুস্থ মানুষ, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিকল্প কোনো নিরাপদ সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদুল হাসান রাসেল মুঠোফোনে জানান, দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কচুয়ায় এক শ্রেণীর পক্ষপাতদুষ্ট মানুষ এমন কথা বলে চাটুকারিতা প্রকাশ করতো যে, কচুয়া উপজেলায় ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপি থেকে এতো উন্নয়ন করেছেন যে, উন্নয়ন করার মতো আর কিছু বাকি নেই। সেই চাটুকারদের কাছে জানতে চাই : ১৬ বছর ধরে খোদ কচুয়া পৌর এলাকায় বিদ্যমান এমন একটি কাঠের সাঁকো কি উন্নয়নের বুলি কপচানো লোকজনের কারো চোখেই পড়েনি? তারা কি ‘ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া’ তরিকার লোক? সে যাই হোক, কচুয়া পৌর এলাকায় এমন জরাজীর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ, বিপজ্জনক সাঁকোর অস্তিত্ব থাকাটা খুবই দুঃখজনক। বললেই তো কোনো স্থানে ২-৪দিনের মধ্যে পাকা সেতু বা কালভার্ট করা যায় না। তবে এ সময়ে দ্রুততার সাথে পৌর কর্তৃপক্ষ সাঁকোটিকে মেরামত করে মজবুত করে দিতে পারে। সেটি করে কতো কম সময়ের মধ্যে সাঁকোর স্থলে পাকা সেতু/ কালভার্ট নির্মাণ করে দেয়া যায় সেটি নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ সিরিয়াসলি ভাবুক এবং কার্যকর, দৃশ্যমান উদ্যোগ নিক-সে প্রত্যাশা করছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়