প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১০
দলগুলো ব্যস্ত সংসদ সদস্য নির্বাচন নিয়ে
গণভোট যেন ধূসর! অধিকাংশ ভোটার বোঝে না গণভোট কী!

|আরো খবর
বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে আর কখনো এ রকম দুটি ভোট একত্রে হয়নি। সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, এটা সবাই জানে বা বোঝে। কিন্তু গণভোট বিষয়টি অধিকাংশ মানুষের কাছেই বোধগম্য নয়। নির্বাচনের আর মাত্র মাসখানেক বাকি। অথচ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রচারণা তেমন একটা চোখে পড়ছে না। দুটি ভোট একত্রে হবে। অথচ রাজনৈতিক দলগুলো ব্যস্ত সংসদ সদস্য নির্বাচন নিয়ে।
বাংলাদেশে সর্বশেষ গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালে। ফলে দেশে গত ৩৫ বছরে কোনো গণভোট হয়নি। বর্তমানে দেশের যে মোট ভোটার, তাদের অনেকেই গণভোট দেখেননি। ভোটারদের একটা বড়ো অংশের জন্যে এটা একটা নতুন বিষয়। একটা সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতো, সেখানেও প্রার্থী থাকতো। স্থানীয় নির্বাচনেও প্রার্থী থাকে, সংসদ সদস্য নির্বাচনেও প্রার্থী থাকে। কিন্তু গণভোটে কোনো প্রার্থী থাকে না। গণভোট হলো কোনো একটি বিষয়ে ভোটাররা সমর্থন করেন, নাকি করেন না এটা জানা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সচেতন ভোটারদের একটি অংশও ধোঁয়াশার মধ্যে আছেন। তাদের প্রশ্ন : কেউ যদি চারটি প্রশ্নের দুটির ক্ষেত্রে একমত এবং অন্য দুটির ক্ষেত্রে ভিন্নমত জানাতে চান, সে ক্ষেত্রে তিনি কীভাবে একটির উত্তর অর্থাৎ হ্যাঁ অথবা না দিয়ে নিজের মতামত জানাবেন?
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ এ বিষয়ে বলেন, এখনকার মানুষ অনেক সচেতন, তারা অনেক কিছু জানেন এবং বোঝেন। গণভোট নিয়ে কাজ করার এখনো অনেক সময় আছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী গণভোট সম্পর্কে বলন, অন্য দল থেকে জামায়াতে ইসলামী গণভোট নিয়ে বেশি প্রচারণা করেছে এবং করছে। আমরা জেলাব্যাপী প্রায় দশ লাখ লিফলেট বিতরণ করেছি। রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি প্রশাসনকে গণভোট নিয়ে বেশি কথা বলতে হবে। তাদেরকেই বেশি প্রচারণা চালাতে হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, এবারের গণভোটের মধ্যে অনেক সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবগুলোও রয়েছে। গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন থেকে আমরা জনগণের মাঝে প্রচার করছি। ইতোমধ্যে আমরা উপজেলা প্রশাসন থেকে লিফলেট বিতরণ এবং উঠান বৈঠক করেছি।
ডিসিকে/এমজেডএইচ








