প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৪, ০০:০০
নিজের ভেতরে থাকা ভয়কে দূর করার জন্যে বিতর্ক করি : প্রথা দে

দ্বাদশ পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, চাঁদপুর বিতর্ক দলের দ্বিতীয় বক্তা হচ্ছে প্রথা দে। সে এই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। বিতর্কসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সে প্রায়শই সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। দ্বিতীয় বক্তা হয়েও সে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার পেয়েছে। তার দল একের পর এক দাপুটে বিজয়ে আজকের ‘জয়যাত্রা’ (কোয়ার্টার ফাইনাল) পর্ব নিশ্চিত করেছে। গত ২ মার্চ ‘অগ্রযাত্রা’ পর্বে সে ‘বিতর্কায়নে’র মুখোমুখি হয়।
বিতর্কায়ন : দলপ্রধান না হয়েও এ পর্যন্ত কতোবার শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার পেয়েছ, সেটা উল্লেখ কর।
প্রথা দে : আসলে এই কৃতিত্বের পেছনে আসল দাবিদার সেই চারজন ব্যক্তির নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই--আমার মা (দিপু দে), বাবা (পবিত্র দে), আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক (শাফায়াত আমীন) এবং আমার দলপ্রধান (অভিক বিশ্বাস)। ওনাদের সাহায্য ছাড়া আমি কিছুই না। ওনাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তা, আমাকে মনোবল প্রদান ও বিতর্কের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এবং পর্যালোচনার দ্বারা শ্রেষ্ঠ বক্তার বিষয়টি সম্ভব হয়েছে।
বিতর্কায়ন : বিতর্ক কেনো করো? কেবলই জেতার জন্যে, না শেখার জন্যে?
প্রথা দে : আমি শেখার জন্যে বিতর্ক করি। বাইরের জগতের জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্যে এবং নিজের ভেতরে থাকা ভয়কে দূর করার জন্যে বিতর্ক করি।
বিতর্কায়ন : তোমার পরিবার না স্কুল কোন্টা বেশি বিতর্ক বান্ধব? তুমি কোন্ জায়গা থেকে বিতর্কের ব্যাপারে বেশি সহযোগিতা পাও?
প্রথা দে : পরিবার বা স্কুল দুটি জায়গার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তবে বিতর্ক বান্ধব হিসেবে আমি অবশ্যই স্কুলকে ধরবো। কারণ, বিতর্কের বিভিন্ন যুক্তি প্রদান, খণ্ডন ইত্যাদি বিষয়ে আমি সকল ধরনের সহযোগিতা পাই। কিন্তু পরিবারের ক্ষেত্রে দেখতে গেলে বিতর্কের বিষয়টিতে সমর্থন থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপত্তি থেকেই যায়। তারপরও আামি আমার পরিবারকে অস্বীকার করছি না। বিতর্ক বান্ধব পরিবেশ বা বিতর্কের সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ হিসেবে আমি স্কুলকে দাবি করবো। তবে পরিবারের মনোবল ও সহযোগিতা আমি অস্বীকার করছি না। কিন্তু স্কুলকে আমি এক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে রাখছি।