প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৪, ০০:০০
নিষ্ঠাবান দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ মাইনুল ইসলাম টিপু
আমার কাছে ভালোবাসায় ভরা নেশার মতো হচ্ছে বিতর্ক

মতলব দক্ষিণের নারায়ণপুর এলাকায় বিতর্ক আন্দোলন সৃষ্টি ও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে চলছেন মোঃ মাইনুল ইসলাম টিপু। তিনি পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে বেশ ক'বছর ধরে নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বিতর্ক দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপালন করে আসছেন। তিনি এই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) হিসেবে কর্মরত। তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সর্বোচ্চ সহযোগিতায় তার বিদ্যালয় জেলা প্রশাসনের সাংস্কৃতিক মাসে বিতর্কে জেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তিনি দ্বাদশ পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কের অভিযাত্রা-২ পর্বে তাঁর স্কুলের বিতর্ক দল নিয়ে আসলে 'বিতর্কায়ন'কে দেন সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার। নিচে প্রশ্নোত্তর আকারে সেটি তুলে ধরা হলো :
বিতর্কায়ন : আপনি কি সাবেক বিতার্কিক? বিতর্কের সাথে সংশ্লিষ্টতা কোন্ কারণে? কোন্ তাগিদে?
মোঃ মাইনুল ইসলাম টিপু : আমি সাবেক বিতার্কিক নই। তবে ছোটবেলা থেকেই আমি বিতর্ক প্রেমিক ছিলাম। বিতর্কের সাথে সংশ্লিষ্টতার পর এটা আমার কাছে এখন ভালোবাসায় ভরা নেশার মতো। আর বিতর্কের জন্যে তাগিদ অনুভব করি হৃদয় থেকে।
বিতর্কায়ন : আপনি পাঞ্জেরী- চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে এসে কী পেয়েছেন, আর কী হারিয়েছেন?
মোঃ মাইনুল ইসলাম টিপু : আমি এই বিতর্ক মঞ্চে আসতে পেরে গর্বিত। কারণ, এখানে নিজেকে অনেক মেলে ধরতে পেরেছি। 'আমরাও পারবো' এমন আত্মবিশ্বাসের দৌড়ে নিজেকে শামিল করতে পেরেছি। এই বিতর্কে এসে আমি কিছুই হারাইনি, বরং নিজেকে বিতর্কের সাথে মিশিয়েছি গভীরভাবে।
বিতর্কায়ন : বিতর্কের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতা নিশ্চিতে 'বিতর্ক ক্লাব' করার প্রয়োজনীয়তা কতোটুকু?
মোঃ মাইনুল ইসলাম টিপু : এই সময়ে বাস্তবতার প্রয়োজনেই বিতর্ক ক্লাব করা প্রয়োজন।
আমাদের প্রতিষ্ঠানে আপনাদের হাত ধরে যদি বিতর্ক ক্লাব গঠন করা যায়, তবে তৈরি হবে অনেক সম্ভাবনাময় বিতার্কিক এবং আপনাদের মতো বিতর্ক সংগঠক।