শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:০৫

হাইমচর বাজারের একটি স্কেচচিত্র

শাহাদাৎ মিয়াজী
হাইমচর বাজারের একটি স্কেচচিত্র

(প্রথম পর্ব)

চঁাদপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল তথা মেঘনার কুলপ্লাবী জলে ভেসে উঠা কুমারী কন্যা তথা হাইমচর বাজার ছিল চঁাদপুর জেলার অন্যতম শিল্প-সাহিত্য-ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এ বাজারটি ১৯৭৮ সালে থানা হেড কোয়ার্টার হিসেবে আরো বেশি জনসমাগমস্থল রূপে এ অঞ্চলে অধিক ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

 

আশির দশক থেকে আমরা যারা হাইমচর বাজার দেখে বড় হয়েছিÑতারা মনে হয় হাইমচরের যৌবনকালটা দেখেছি। গার্লস স্কুলের কোণা থেকে বেড়িবঁাধ থেকে নিচে নেমে যেতাম তারপর জগন্নাথ দেবের মন্দির হয়ে মোস্তাফা সরকারের বাড়ি পার হয়ে কালিখোলার জাহাঙ্গীর পাটওয়ারীর বাবা জমিদ রওশন পাটওয়ারীর দোকানটা ঠিক বেড়িবঁাধের সাথে প্রথম দোকানটি। সামনে এগিয়ে গেলে রব মোল্লার টিনের দোকান, গোলাম হোসেন পাটওয়ারীর মুদি দোকান পার হলে আবুল খায়ের মুন্সীর মরিচ, পেঁয়াজ, রসুনের আড়ত, চরভৈরবীর আখনকান্দির রুহুল আখনের আড়ত ছিল তার পাশেই। শুনেছি তার বাবা লন্ডন প্রবাসী ছিল। তারপর বয়েজ স্কুলের রাস্তাটি দক্ষিণ দিক দিয়ে থানা ছিল। থানার পূর্ব পাশে ছিল দুটি বড় গুদামঘর। তার পাশ দিয়া যাওয়া রাস্তাটি আবার বেড়িবঁাধের সাথে মিশে গিয়েছিল। তার পূর্ব পাশে খাল, খাল পাড় ঘেঁষে ছিল ওয়াপদা অফিস এবং ফারুক-ই-আজম মাদ্রাসা। বয়েজ স্কুলের মাঠের পাশে টেলিফোন-টেলিগ্রাফ অফিস। সেখানে কাজ করতেন অলি ভাই, শাখাওয়াত ভাই। তার পশ্চিম পাশে ছিল মসজিদের পুকুর। পুকুরের দক্ষিণ পাশে টিকা অফিস এবং সাব-রেজিস্টার অফিস। মসজিদ পুকুরের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে ছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও হাইমচর ইউনিয়ন অফিস ছিল পাশেই। ইউনিয়ন অফিসের সাথে কৃষ্ণচূড়ার অগণিত ফুলের বাহারি রঙ যেন আমার বুকে এখনো লুকিয়ে রয়েছে। পাশেই ছোট্ট একটু জায়গায় বসতো হঁাস-মুরগির বাজার।

 

ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্ণার হতে ও মসজিদের দক্ষিণ পাশ দিয়ে একটি রাস্তা চলে গিয়েছিল পশ্চিম দিক। এ রাস্তার দক্ষিণ পাশে ছিল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল অফিস। সাথেই ছিল জল থানা অফিসের পশ্চিম পাশেই ছিল উদয়ন সংঘের অফিসটি। জল থানার সামনে অর্থাৎ রাস্তার বিপরীতে ছিল পুরাতন গরুর বাজার। পরে যেখানে একটি নতুন মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি হচ্ছিল।

 

মসজিদ পুকুরের সামনে দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ একটি রাস্তা ছিল। উত্তর আলগীর রাখাল দার কাটা কাপড়ের দোকানের কর্ণার হতে শুরু হয়ে প্রহ্লাদ দার শাড়ি-লুঙ্গির দোকান, মোয়াজ্জেম ফারুকীর হোমিওপ্যাথ ফার্মেসির কোন পাশেই ছিল আবুল কালাম বকাউলের মুক্তিযোদ্ধা স্টোর। এ রাস্তায় এক সময় কবুতরের হাট বসত।

 

হাইমচর বাজার যেটা চঁাদপুর, আখনের হাট, কাটাখালী, কালিখোলা, হাইমচর, চরভৈরবী হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে বেডিবঁাধ ছিল তার বাইরে ছিল। জমিদ পাটওয়ারীর দোকান যেটা বেডিবঁাধের স্টারটিং পয়েন্ট ছিল এটাই ছিল মূলত বাজরের প্রধান সড়ক। এ রাস্তার শেষ প্রান্ত ছিল কামাল সর্দার (মেম্বার)-এর মুদি দোকান। এ রাস্তার এতটা বর্ণনা আমরা অনুমানিক ধারণা নিতে পারি। এ রাস্তার একটা বর্ণনা আগে একটু শুরু করছিলাম। জমিদ পাটওয়ারীর দোকান ১০০০ ফুট পার হলে রাস্তার উত্তর পাশে শ্রীকৃষ্ণ মাঝি (ডিআইজি নিবাস মাঝি) বাড়ি ছিল। তাদের বাড়ির পাশেই ছিল মোবারক রাঢ়ির চালের বয়লার মিল। রাস্তাটি ছিল উত্তর-দক্ষিণ সম্ভবত দু মাইল লম্বা। বয়েজ স্কুলের দিকে যে রাস্তাটি চলে গিয়েছিল এবং মূল সড়কের কর্ণারে ছিল নেছার গাজীর ফার্মেসি। সামনের দিকে অথর্যাৎ পশ্চিম দিকে আগালে উত্তর পাশে দোতলা বিল্ডিংয়ের নিচতলায় কনফেকশনারি ছিল। এখানে চোট্ট একটি কালভার্ট ছিল। কালভার্ট পার হলে অনেকগুলো সেলুন ছিল, যার একটা ছিল মনিন্দ্র দাদার। শৈশবে এখানেই চুল কাটাতে কাটাতে কতবার ঘুমিয়ে পড়েছি। সামনে পশ্চিম দিকে আগালে পারুল ভঁূইয়ার কাপড়ের দোকান, ঢাকা রেস্তোরঁা। ঢাকা রেস্তোরঁার দক্ষিণ পাশেই ছিল মোহামেডান, ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্লাবঘর। কোথাও যেন কী গান ক্লাব ছিল তা আজ স্মৃতিপটে নেই। এখানে একটা ছোট রাস্তা বেরিয়ে প্রহ্লাদ দার দোকান পর্যন্ত গিয়ে মিশেছিল। মোহামেডান ক্লাবের পাশেই কালাম সর্দারের একটি দোতলা বিল্ডিং ছিল। এ রাস্তায় রফিক পাটওয়ারীর অনেকগুলো বাসা-বাড়ি ছিল। এর পাশেই আমাদের নীলকমল স্কুলের রহমান বাসা ছিল। মূল রাস্তা ধরে পশ্চিম দিকে সামনে আগালে রাখালদার দোকানের সামনে ছিল বাসারাত স্যারের হোমিওপ্যাথি দোকান। তার ঠিক পশ্চিম পাশেই ছিল লুঙ্গি, শাড়ি, গামছার শ’ দেড়েক দোকান বসতো প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার। পশ্চিমদিকে আগালেই ৩০/৪০টির মতো গেঞ্জির দোকান ছিল। সামনে পশ্চিম দিকে আগালেই ডা. ছালাম সাহেবের ফার্মেসি, ডা. বাবুলের তাজ মেডিকেল হল। ডা. রবিন্দ্র, ডা. হাবিব এরা ছিল পাশাপাশি। এখানেই ছিল বশিরউল্লাহ মাস্টারের মাস্টার ক্লথ স্টোর।

 

প্রহ্লাদদার দোকানের কর্ণার থেকে অরেকটি রাস্তা চলে গিয়েছিল সোজা পশ্চিম দিকে। এখানেই ছিল মান্নানের রেস্টুরেন্ট। রাস্তার দু পাশে বসতো পানের দোকান। তারপর পশ্চিম দিকে বসতো সুপারি, জর্দা, চুন, খড় ও সাদা পাতার দোকান। এখানে আলুসিদ্ধ, গোলগোলা আটারুটি বিক্রি হতো। ধনে পাতা, হলুদ মেশানো আলুসিদ্ধ কত যে এখানে খেয়েছি তার ইয়ত্তা নেই। দশটি আলু সিদ্ধ ছিল মাত্র এক টাকা। বশিরউল্লাহ মাস্টারের কাপড়ের দোকানের ঠিক অপজিটেই ছিল হাবুল্লা শেখের লাকড়ির দোকান। হাবুল্লা শেখের দোকান থেকেই শুরু খোলা লটে চালের দোকান। গলি শেষ হয়েছে রুমা কনফেকশনারিতে। সেখান হতে একটু বঁাক নিয়ে একটি গলি চলে গেছে দক্ষিণ দিকে অরেকটি পশ্চিমে।

 

এখানে এ গলির একটু বর্ণনা দিতে হয়। এখানে রাধামন ঘোষের মনোহরি দোকানে পাওয়া যেত পুরানো দিনের সুগন্ধি ঘি। শিল্পী যুধিষ্ঠি দার কাটা কাপড়ের বিখ্যাত ছিল। জলধর বাঙালি রেশন দোকানে সুলভমূল্যে চিনি কেনা যেত এখানে। বশিরউল্লাহ মাস্টারের মাস্টার ক্লথ স্টোরের সামনে থেকে মাঝখানে মাঠে লবণ ও মিঠাই বাজার ছিল। কয়েকশ’ লবণ বেপারী ও মিঠাই বেপারী প্রতি হাটবারের দিন দূর-দূরান্ত থেকে আসতো বিকিকিনির জন্য। উত্তর পাশের ছিদ্দিক পাটওয়ারীর দোকানের সামনে থেকে বসতো খইল, ভূসি ও খোলা বাজারের তৈল। এখানে তিল, তিসি, সরিষা, নারিকেল ও ভেরেন্ডা তৈল পাওয়া যেত। হাইমচর বাজারের আনন্দ রেস্তোরঁার মুখরোচক সুস্বাদু খাবারের কথা সবার মনে থাকার কথা।

 

আপনারা রুমা কনফেকশনারির নাম ইতোমধ্যে শুনেছেন। এর পাশ দিয়া একটা ড্রেন চলে গিয়েছিল উত্তর-দক্ষিণ। মেইন গলি ধরে একদম পশ্চিম দিকের কামাল সর্দারে সামনে উত্তর-দক্ষিণ একটি রাস্তা ছিল। সম্ভবত উত্তরগামী রাস্তায় সূফী সাবের মাজারের দিকে যাওয়া যেত । যেহেতু এ রাস্তায় আমার কখনো যাওয়া হয়নি তাই এ বিষয়ে বলা সঙ্গত নয়।

মেইন রাস্তার সাথে সোনালী ব্যাংক অফিস ছিল। ব্যাংকের সামনে ধান বিক্রি করতে যেতাম। তারপর তরকারির হাট। ৪০/৫০টি দোকান বসতো। তরকারির বাজারের পুরাতন মাছবাজার ছিল। একটু ছোট তাই তা সরিয়ে নতুন আরো পশ্চিমে সরিয়ে নতুন মাছবাজার হয়। পুরাতন বাজারটি শুঁটকির বাজারে রূপান্তরিত হয়। তরকারি বাজারের পাশেই ছিল রনা পাল (রণজিত কুমার পাল) মাটির বাসন-কোসনের দোকান। এখানে বাহারি মাটির কলস, বদনা, মুড়ির পাতিল, খেজুরের কলস ইত্যাদি ভরপুর ছিল।

 

রুমা কনফেকশনারীর সামনের গলিটা চলে গেছে পশ্চিমে শেষ হয়েছে মাছ বাজারে এসে। আসলে পুরাতন আর নতুন মাছবাজার দুটিই ছিল মাঝখানের গলিতে। মিজিদের বড় একটি মনোহরি দোকান ছিল ঠিক রুমা কনফেকশনারির বিপরীতে। মিজিদের দোকানের পাশই ছিল হলদর বাঙালির সুস্বাদু মিষ্টির দোকান। তার ঠিক বিপরীতে নিকুঞ্জ বেপারীর মিষ্টি। শৈশবে বাবার সাথে দুই দোকানের কত মিষ্টি যে খেয়েছি তার ইয়ত্তা নেই। হলদর বাঙালির পরেই ছিল জয়দল সরকার স্যারের বইয়ের দোকান। নানা জায়গা থেকেই বই কিনতাম, এখান থেকেও কিনতাম। এ গলি দিয়ে সামনে গেলে ডুলা-কুলা-চালুন-ওড়া-চাঙ্গারীর হাট। তারপরেই বসতো দা-কাচি-খন্তা-কুড়াল-কাছির বাজার। নারকেল কোরানিও এখানে পাওয়া যেত। হাইমচর বাজারের আরো একটি মজাদার খাবারের রেস্টুরেন্ট ছিল ক্যাফে আশা। এটা ঠিক নতুন মাছবাজারের দক্ষিণ পাশেই অবস্থান করে আমাদের সুগন্ধি খাবার পরিবেশন করতো। এর পাশেই ছিল রুমা আইসক্রিম। স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় এ আইসক্রিম ২০/২৫ বছর এ অঞ্চলে সেবা দিয়েছিল।

 

মাছবাজারের পশ্চিম পাশ দিয়া যে গলিটি উত্তর-দক্ষিণে অবস্থান ছিল সেখানে জল থানা এবং পুরাতন গরুর বাজারের মাঝখান দিয়া যে গলিটি পূর্ব-পশ্চিমে ছিল তার পশ্চিম প্রান্ত রুমা কনফেকশনারি পাশ দিয়া ছোট গলিটি তার সাথে মিলিত হয়েছে। এ গলিটি একটা দক্ষিণ দিকে অন্যটি পশ্চিম দিকে ঠিক মাছবাজারের সাথের গলির সাথে একটু দক্ষিণে গিয়ে মিলিত হয়েছে। অর্থাৎ জল থানার পাশ দিয়ে যাওয়া পশ্চিমগামী গলিটি আবুল বেকারির পাশ দিয়া সোজা পশ্চিমদিক খাল পাড় একটি বড় রাস্তার সাথে মিলিত হয়েছিল যার উত্তর পশ্চিমগামী রাস্তা ধরে নীলকমল লঞ্চঘাটে যাওয়ার রাস্তা। যে রাস্তাটা হাইমচর বাজার হতে চার মাইল দূরে আমি দেখেছি।

 

এই লেখাটি সাবেক হাইমচর বাজারের একটি স্কেচচিত্র মাত্র। যা আমার ক্ষুদ্র স্মৃতিতে বহন করে চলেছি। আমরা যারা সাবেক হাইমচর বাজার দেখেছি কিংবা আমাদের চেয়ে প্রবীণ এখনো যারা জীবিত আছেন তাদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বই আকারে বের হতে পারে। যারা বেঁচে থাকলে এ লেখাটি পূর্ণতা পেত জনাব আবদুল্লাহ সরকার, সিদ্দিকুর রহমান পাটওয়ারী, এ আর সুলতান মাহমুদ, ইয়াকুব আলী সরকার, জলিল সরকার, খান সাহেব আলী হোসেন মাঝি, কায়কোবাদ চুন্নু সরকার, আবদুল গফুর এম বি, হাজী মেজবাহ উদ্দীন, অ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান, জয়দল হোসেন আখন, ডাঃ এম এ সালাম, আব্দুর রব বেপারী, এম এ জব্বার, আবু কয়সার মুন্সী, চরভৈরবীর সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, মোহাম্মদ হোসেন পাটওয়ারী, সিরাজুল ইসলাম সরকার, জয়নাল আবেদিন মুন্সী, লতিফ শনি, মোস্তফা সরকারসহ আরো অনেক মহান ব্যক্তি ও গুণীজন। তঁারা আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তঁাদের কর্ম আমাদেরকে উদ্বেলিত করে।

 

তবে সেই সময়ের আমাদের সিনিয়র যঁারা জীবিত আছেন তঁাদের সহযোগিতা পেলেও একটা ইতিহাসের পুনর্লিখন হতে পারে। জনাব আবদুল মতিন খান, নীলু মিয়া সরকার, দুদু মিয়া সরকার, লেখক হাসান আলী, শাহজাহান মিয়া (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান), আবু সায়েদ তালুকদার, লাল মিয়া সরকার, ইসহাক খোকন, ইয়াছিন রতন, হুমাউন কবির পাটওয়ারী, শিল্পী ফায়কুজ্জামান বাদশাহ, শিল্পী মিলন রায়, মহসিন সরদারসহ অনেক বড় একটি তালিকা হতে পারে।

 

আমি আশা করি, হাইমচর বাজার নিয়া আপনার আপনাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে তথ্যবহুল লিখা লিখতে পারেন যে কেউ। ভালো লেখার জন্য সম্মানি প্রদান করা হবে। আমার লেখায় তথ্য ও তত্ত্বে ভুল থাকতে পারে কেউ শুদ্ধটি জানা থাকলে সংশোধন করতে পারবো।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়