প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
লক্ষ্মীপুরের চারটি আসন পেলেন বিএনপির চার প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবশেষে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপির চার প্রার্থী লক্ষ্মীপুর-১ আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভুঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও লক্ষীপুর-৪ আসনে আশরাফ উদ্দিন নিজানের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
|আরো খবর
জানা যায়, ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শেষ দিনের বৈঠকে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের ডাকা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হয়েছে এই চারটি আসনে কোনো শরিক নয়, ধানের শীষ পেয়েছেন বিএনপির নেতারাই। চারটির মধ্যে লক্ষীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভুঁইয়া, লক্ষীপুর-৩ আসনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিএনপির প্রথম দফার ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় ছিলেন। এরপর লক্ষ্মীপুর-১ ও ৪ আসন নিয়ে এক ধরনের জল্পনা ছিলো যে, শরিকদের জন্যে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম নিজের দল বিলুপ্ত ঘোষণা দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। ফলে লক্ষ্মীপুর-১ আসনটি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়ে যায়। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনটি ফাঁকা রাখা হয়। মিত্র বিবেচনায় এ আসনটি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির জন্যেই বিএনপি ফাঁকা রেখেছে-- এমন ধারণা থেকে মাঠে প্রচারণাও চালায় দলটি।
বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, বৈঠক ডাকার মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনটিতেও বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন নিজানের মনোনয়ন চূড়ান্ত হলো। এখন এ আসনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া অপেক্ষা মাত্র। ফলে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থী পেতে যাচ্ছে।
সূত্র আরও জানান, ইতোমধ্যে প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপে ঘোষিত কয়েকজন প্রার্থীকে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি বিএনপি। এর অর্থ হচ্ছে, ওই আসনে বিএনপি নতুন কাউকে বিবেচনায় রাখছে। যেমনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসনটি মিত্রদের দাবি থাকলেও এ বৈঠকে নিজানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এতে বোঝা যায়, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনটিতে ভোট করবে বিএনপির দলীয় প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান।
আশরাফ আগে থেকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি এই আসনের দুবারের সংসদ সদস্য ছিলেন।
গত ৩ নভেম্বর প্রথম দফায় ২৩৬টি আসনে এবং ৪ ডিসেম্বর আরও ৩৬টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। ফলে মোট ২৭২টি আসনে সম্ভবাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়।








