প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৭
হাজীগঞ্জে দোকান দেওয়ার নামে ৯০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ভুক্তভোগীদের প্রতিবাদ

হাজীগঞ্জ মধ্যবাজারে ভবন মালিক আতাউল হাসানের প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হতে বসেছেন অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ী। চুক্তি অনুযায়ী ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েও গত ১০ মাসে দোকান ঘর বুঝে পাননি তারা। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে সংশ্লিষ্ট ভবনের সামনে ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, হাজীগঞ্জ মধ্যবাজারের হোটেল পট্টির পূর্ব পাশে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন নিচতলার একটি দোকান ভাড়া নেওয়ার জন্য ভবনের মালিক আতাউলের সঙ্গে চুক্তি করেন মো. সবুজ, মো. কাদের, ফয়জুল ইসলাম, মো. রাসেল ও হাসিবসহ তাদের একটি যৌথ প্রতিনিধি দল। চুক্তি অনুযায়ী ৬টি চেকের মাধ্যমে আতাউলকে মোট ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম (জামানত) প্রদান করা হয়।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, টাকা পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে দোকানের দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু চুক্তি সম্পাদনের পর ১০ মাস পার হয়ে গেলেও আতাউল দোকান হস্তান্তর করেননি, কিংবা টাকাও ফেরত দেননি।
ভুক্তভোগী মো. কাদের বলেন, "আমরা চুক্তিমতো ব্যাংকের মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। ৩ দিনের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ১০ মাস ধরে আমাদের ঘোরানো হচ্ছে। আমরা হয় অবিলম্বে দোকান হস্তান্তর, না হয় আমাদের পুরো টাকা ফেরতের দাবি জানাচ্ছি।"
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত দোকানে থাকা পূর্ববর্তী ভাড়াটিয়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তার জামানতের টাকা ফেরত দেননি ভবন মালিক। আইনি ও আর্থিক এই জটিলতার কারণেই নতুন ভাড়াটিয়াদের দোকান বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ভবন মালিক আতাউলের সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।








