বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান থেকে উদ্ধার মতলবের স্কুলছাত্র রাতুল

চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট।।
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান থেকে উদ্ধার মতলবের স্কুলছাত্র রাতুল

মতলব উত্তর থানা পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ ও কার্যকর অভিযানে নিখোঁজের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ১৩ বছরের স্কুলছাত্র রাতুল দেবনাথ। বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন দূরবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ‘১২ মাইল’ থেকে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া রাতুল দেবনাথ ছেংগারচর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেবনাথের ছেলে এবং ছেংগারচর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড় ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে রাতুলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ ছিলো। চারদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে একই দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাতুলের ফেসবুক পেজে “Miss you Ma” লেখা একটি স্ট্যাটাস দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। সম্প্রতি কুমিল্লায় ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে এ ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে রাতুলের বাবা মতলব উত্তর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের দিকনির্দেশনায় অবিলম্বে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।

সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব ও মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে এসআই জীবন চৌধুরী ও এএসআই রবিউল হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল গঠন করা হয়।

পুলিশের দলটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ ও নিখোঁজ কিশোরের সম্ভাব্য গতিবিধি পর্যালোচনা করে দ্রুত তার অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ‘১২ মাইল’-এ অভিযান চালিয়ে রাতুলকে উদ্ধার করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত কিশোরকে তার পরিবারের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। চাঁদপুর জেলা পুলিশের এই দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছে রাতুলের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়