প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৯
আবেগে ভারাক্রান্ত পরিবেশ
এমপিও কাঁদলেন নাফের শাহের জানাজাতে

হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এম এ নাফের শাহের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নাফের শাহের জানাজাতে জেলা, উপজেলা, পৌর ও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। জানাজার পূর্বে মূল বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হক এমপি।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাদ জোহর বাকিলা ইউনিয়নের গোগরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এম এ নাফের শাহের জানাজাতে তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক ও ন্যায় নীতির কথা বলতে গিয়ে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও মুসল্লিদের সামনে মাইকে কাঁদলেন মো. মমিনুল হক এমপি। মরহুমের জানাজা ও দাফন শেষে মো. মমিনুল হক এমপি মরহুমের বাসাতে গিয়ে শোকাহত পরিবার, সন্তানদের সান্ত্বনা দেন ও দাফন পরবর্তী মিলাদ ও দোয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মো. মমিনুল হক এমপির রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা নাফের শাহ একই দিন রাত সাড়ে ৩ টার দিকে কিডনীজনিত রোগে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ কন্যা সন্তানসহ হাজার হাজার শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর জানাজাতে বক্তব্য দিতে দিয়ে বিএনপি ও যুবদলের বহু নেতাকর্মীকে অঝোরে কাঁদতে দেখা গেছে।
এম এ নাফের শাহের জানাজাপূর্ব বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল মান্নান খান বাচ্চু, জেলা জামায়াতের
সহ-সেক্রেটারী ও শাহরাস্তির ভোলদিঘি কামিল মাদরাসার অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারী ওয়াসিম পাটোয়ারী,
জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির, সদস্য সচিব এম এ রহিম পাটোয়ারী, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন ভুলু, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আক্তার হোসেন দুলাল, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন বেলাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রানা, উপজেলা জামায়াতের আমীর কলিম উল্যাহ ভূইয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সুমন, সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সুমন, বাকিলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাও. আবু তাহের, নায়েবে আমীর শরিফুল ইসলাম, মান্দারী ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নেছার আহম্মেদ, যুবনেতা মোবাশ্বের মোল্লা ও উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন তরুণ।
মরহুমের পারিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন ও মরহুমের সহোদর আবু সাঈদ কুমকুম।
জানাজায় বিশিষ্টজনদের মধ্যে অংশ নেন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের সাবেক মোতওয়াল্লী ও বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ড. আলমগীর কবির পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা নিজাম উদ্দিন রিপন, জেলা জামায়াতের
সহ-সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, হাজীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মোজাম্মেল হোসেন মজুমদার পরান, পৌর জামায়াতের আমীর আবুল হাসনাত পাটোয়ারী প্রমুখ।
উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জুয়েল রানা তালুকদার ও বাকিলা ইউনিয়ন
জামায়াত নেতা আরাফাত হোসেন মিয়াজীর সঞ্চালনায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হোসেন মোল্লা লিটন, মমিন বেপারী, শুকুর আলম বেপারী, সাদ্দাম হোসেন রাজু, রিয়াদুল ইসলাম রিয়াজ, কাদের দেওয়ান,মোশারফ হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ নাফের শাহ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) রাত সোয়া ৩ টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভূগছিলেন। এম এ নাফের শাহ বাকিলা ইউনিয়নের গোগরা মিজি বাড়ির মরহুম মাওলানা আবু তাহের মিয়াজীর বড়ো ছেলে। মৃত্যুকালে এম এ নাফের শাহ স্ত্রী, ৪ কন্যা সন্তান, তিন ভাইসহ হাজার হাজার শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। রাতেই মরহুমের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।








