সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫  |   ২৭ °সে
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫, ২০:১৯

তারুণ্যের সমাবেশে লায়ন হারুনকে এমএ হান্নানের চ্যালেঞ্জ

আট ও আঠারোর দলীয় মনোনয়নপত্র দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো।।
আট ও আঠারোর দলীয় মনোনয়নপত্র দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো

২০০৮ ও ২০১৮ সালের বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এমএ হান্নান। রোববার (৩১ আগস্ট ২০২৫) বিকেলে রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ মাঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমএ হান্নান চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদকে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।

তিনি বলেন, আজ তার জন্মস্থানে এসে আমি প্রকাশ্যে এই কথা বলছি যে, তিনি কীভাবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনে তার দলীয় পদপদবির অতীত ইতিহাস নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুক। তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। কিন্তু এবার আর কোনো সুযোগ নেই। কারণ, এবার এইচটি ইমাম, শেখ হাসিনা এবং ছহুল হোসেন নেই। যাদেরকে দিয়ে তিনি রাতের আঁধারে মনোনয়নপত্র বৈধ করেছেন এবং এমপি হয়েছেন। তিনি কীভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির পদপদবি ব্যবহার করছেন? যার বিএনপিতে অতীত ইতিহাস নেই, তিনি কীভাবে এই পদ পান?

জাতীয়তাবাদী আদর্শকে উজ্জীবিত করতে ও তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ আয়োজনে এই তারুণ্যের সমাবেশে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপনের সভাপতিত্বে এমএ হান্নান আরো বলেন, আমার মামু লায়ন হারুন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাকে ২০০৮ সালে নমিনেশন দিয়েছেন। তিনি তো এবারো রয়েছেন, এবার তিনি সেই যোগ্যতা দেখাক। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমাকে এবং রিয়াজ উদ্দিন নসু ও কাজী রফিককে পর্যায়ক্রমে মনোনয়ন দেন। লায়ন হারুন ও মোতাহার পাটওয়ারীকে তালিকাতেই রাখেন নি। তাই আপনি যদি সত্যিকারের দল করেন, বিএনপিকে ভালোবাসেন, তাহলে একসাথে এসে রাজনীতি করেন। দল যদি আপনাকে মনোনয়ন দেয়, তবে সকলেই আপনার পক্ষে থাকবে। কিন্তু আপনি দলীয় কোন্ নেতার নির্দেশে ফরিদগঞ্জে এসে দলকে বিভক্ত করছেন? আমি আপনাদের মাধ্যমে সেই নেতার নাম জানতে চাচ্ছি। আমরা শহীদ জিয়ার দল করি। তাই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের ৩১ দফার বাস্তবায়নে আপনারা যারা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল করেন, তারা আগামী দিনগুলোতে তারুণ্যের সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান দুলাল, ডা. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আমানত হোসেন গাজী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল খালেক পাটওয়ারী, মহসীন মোল্লা, নজরুল ইসলাম নজু, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, পৌর যুবদলের সভাপতি ইমাম হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফ পাটওয়ারী, সদস্য সচিব রুবেল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মঞ্জুর, সদস্য সচিব শাওন চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়