প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:০৫
সরকার পতন আন্দোলনে গুলি করবেন বুক পেতে দেব : শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ বলেছেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু হওয়ার কথা, প্রতিপক্ষ হওয়ার কথা নয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সদ্য জনতার আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে পুলিশকে ব্যবহার করে পাখির মত গুলি করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা নতুন কিছু নয়, এর আগেও তারা ভোলায় একই কাণ্ড ঘটিয়েছে। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ আজ পুলিশ বাহিনীতে জনগণের প্রতিপক্ষ করার চেষ্ঠা করছে। আমাদের জন্ম হয়েছে রক্ত দেওয়ার জন্য। জনগণের অধিকার আদায় এবং সরকার পতন আন্দোলন চলবেই।রাজপথেই রক্ত দিব। আমি রাজপথে সর্ব প্রথম রক্ত দেব, আপনাদের গুলি আমি বুক পেতে নেব। আমার চাঁদপুরের ভাইয়েরা রাজপথ রক্তে লাল হতে প্রস্তুত রয়েছে।
|আরো খবর
৩ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নারায়ণগঞ্জে বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের গুলিতে যুবদল নেতা শাওন হত্যার প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর শহরের চিত্রলেখা মোড় হাজী মহসিন সড়কে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় নেতা-কর্মীরা সরকারবিরোধী স্লোগানে এলাকা কম্পিত হয়ে ওঠে।
তিনি আরো বলেন, গুলি চালিয়ে ভয় দেখিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। জনতার শক্তি অপ্রতিরোধ্য। আন্দোলনে গণ জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই গণ জোয়ারে খুনী সরকার ভেসে যাবে ইনশাআল্লাহ । বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনকে যারা রক্তস্নাত করেছে ,তাদের বিচার হবে।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান বাবুল, চাঁদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসের মাঝি, সদর থানা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, জেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি মোস্তফা কামাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হযরত আলী ঢালী, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি অ্যাডঃ কোহিনুর আক্তার, জেলা যুবদলের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন গাজী।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিমুস সালাম, ফেরদৌস আলম বাবু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ হারুনুর রশিদ, যারা বিএনপি নেতা হাজী মোশাররফ হোসেন, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খান,পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ উদ্দিন আহমেদ পলাশ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি এনায়েত উল্লাহ খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুয়েল,
জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারীসহ বিএনপি যুবদল ছাত্রদল স্বেচ্ছাসেবক দল শ্রমিক দল কৃষক দল মহিলা দলের শত শত নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে অতিরিক্ত পুলিশ সেখানে মোতায়েন থাকতে দেখা যায়।