প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:১০
ফরিদগঞ্জে বহুল আলোচিত ১২৪ বছরের পুরোনো চতুরা জামে মসজিদ

ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বহুল আলোচিত মসজিদ হলো ঐতিহাসিক ‘চতুরা জামে মসজিদ’। অনেকেই তাদের নেক মাকসুদ পূর্ণের জন্যে এই মসজিদে মানত করেন। পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার প্রখ্যাত পীর মাওলানা ফয়জুল্লাহ (রহ.), যিনি অনেকের কাছে রায়পুরের বড়ো মিয়া হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তাঁরই প্রধান খলিফা কালা মিয়া ফকির (রহ.) চতুরা মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন তিনিই এই মসজিদের ইমাম এবং খতিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
|আরো খবর
১২৪ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ অংশের চতুরা এলাকায় অবস্থিত। ১৯০২ সালে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন কালা মিয়া ফকির। সে সময় তিনি ৫ শতাংশ ভূমি মসজিদে দান করে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় মসজিদটির অবকাঠামো নির্মাণ করেন। তাঁর মাজার মসজিদের পাশেই অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এ মসজিদের ৫/৬ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো মসজিদ ছিলো না। মসজিদটি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পূর্ব বড়ালী গ্রামে অবস্থিত।
দীর্ঘ সময় ধরে মসজিদটি একতলাবিশিষ্ট থাকলেও বিপুলসংখ্যক উপস্থিতির কারণে কর্তৃপক্ষ মসজিদটিকে দ্বিতল করে। ২০২২ সালে মসজিদের দ্বিতীয় তলার কাজ সম্পন্ন হয়। মসজিদের পশ্চিম পাশে পুকুর, উত্তর পাশে ঈদগাহ। দক্ষিণে ফুলমতিরনেছা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, পূর্ব পাশে কবরস্থান এবং চতুরা খাল। মসজিদটির দু পাশেই সাবেক এবং বর্তমান আঞ্চলিক মহাসড়ক। মসজিদটিতে প্রায় ১২শ’ মুসল্লি একসাথে সালাত আদায় করতে পারেন। বর্তমানে মসজিদের খতিবের দায়িত্বে রয়েছেন মাওলানা নুরুল হুদা। পেশ ইমাম মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ। সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন দেশসেরা কর আইনজীবী, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক অ্যাড. আব্বাস উদ্দিন। তাঁর হাত ধরে মসজিদে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে।
ডিসিকে/এমজেডএইচ







