প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২১, ১৯:৪২
সারাদেশে আরও ২৩৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০৪২০ জন
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে টানা ১৮ দিন মৃতের সংখ্যা দুইশ’ ওপরে রয়েছে। গত ২৪ জুলাই ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়। এর পর থেকে প্রতিদিনই দুইশ’ ওপরে রোগী মারা গেছেন বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।
|আরো খবর
আজকের ২৩৭ জন নিয়ে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেলেন ২৩ হাজার ৩৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৪২০ জন। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭৪২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৩১৩ জন। এ নিয়ে মোট ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৫ জন সুস্থ হয়েছেন। বুধবার (১১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৪৪ হাজার আটটি, আর আগের নমুনাসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৪ হাজার ৪৩০টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৬১ লাখ ৪৫৭টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২১ লাখ ৫৬ হাজার ১৪টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৬৯ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়া ২৩৭ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩৪ জন এবং নারী ১০৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৫ হাজার ৫১৮ জন এবং নারী মারা গেলেন সাত হাজার ৮৮০ জন।
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুই জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৮৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চার জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুই শিশু এবং শূন্য থেকে ১০ বছরের বয়সের মধ্যে একজন শিশু রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, মারা যাওয়া ২৩৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১০৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৪ জন, রাজশাহী বিভাগের ১০ জন, খুলনা বিভাগের ২০ জন, বরিশাল বিভাগের আট জন, সিলেট বিভাগের ২৩ জন, রংপুর বিভাগের ছয় জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের রয়েছেন ১১ জন।
২৩৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৬০ জন এবং বাড়িতে তিন জন।