প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৪:২২
ফসলের মাঠে গাঁজার আবাদ
২৫টি গাঁজা গাছসহ চাষী আটক

এতোদিন বাড়ির উঠোনে বা লুকিয়ে গাঁজা গাছ লাগানোর এবং পরবর্তীতে উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বড়ো বড়ো গাঁজার চালান আটকের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এবার গাঁজার বীজ সংগ্রহ করে ফসলের মাঠে ধান ক্ষেতের পাশাপাশি গাঁজা চাষের ঘটনায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ ২০২৬) রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের সাইসাঙ্গা গ্রামের একটি কৃষি মাঠে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ২৫টি গাঁজা গাছসহ বিল্লাল হোসেন (৪০) নামে এক চাষীকে আটকের ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন আরো বেশি গাঁজা গাছ আটকেরও ঘটনা ঘটে। ফলে গাঁজা চাষের ঘটনা নিয়ে ফরিদগঞ্জসহ এই অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বড়ো ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় মাদকের এই ভয়াবহতা নিয়ে কথা উঠে। সে সময়ে বিভিন্ন ইউনিয়নে চুরি ও মাদকের আগ্রাসন নিয়ে কথা বলেন জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা।
|আরো খবর
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাঁজা চাষী বিল্লাল ইউটিউব দেখে গাঁজা চাষ শিখে এবং পরবর্তীতে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে গাঁজার বীজ সংগ্রহ করে জমিতে ধানের আবাদের পাশাপাশি গাঁজা চাষ শুরু করে। তবে তার এই কৃষি উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত ধরেই ধরা পড়ে। উদ্ধারকৃত গাঁজার ওজন ৯ কেজি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আটককৃত বিল্লাল সাইসাঙ্গা গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির মো. মোখলেছুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি দল ওই জমিতে অভিযান পরিচালনা করে ২৫ টি কাঁচা গাঁজা গাছ উদ্ধার করে এবং বিল্লাল হোসেনকে আটক করে। তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ স্বীকার করে বিল্লাল হোসেন বলেন, ইউটিউব দেখে শিখেছি কীভাবে গাঁজা গাছের পরিচর্যা করতে হয়। পরে পরিচিত মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করে ধানের আবাদের সঙ্গে পরীক্ষামূলক ভাবে গাঁজার চাষ শুরু করি। সম্প্রতি গাঁজা বিক্রয় করেও জীবিকা নির্বাহ করেছি।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ২৫টি কাঁচা গাঁজা গাছসহ আটককৃত মো. বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করে সোমবার (৩০ মার্চ) আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।







