প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:০৪
ঘোষেরহাটে বাস চাপায় নিহত শান্তার বাবার মামলা দায়ের

সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে সাধারণত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কেউ মামলা দায়ের করে না। এবার মামলা করে নজির স্থাপন করলেন সড়কে বাস চাপায় নিহত এক কলেজ ছাত্রীর বাবা। এতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী আইদি পরিবহনের একটি বাস ও অজ্ঞাতনামা একাধিকজনকে আসামী করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) চাঁদপুর সদর উপজেলার ঘোষের হাটে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কলেজ ছাত্রী শান্তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায় বাসটি। একই দিন বিকেলে শান্তা মারা যায়। ঘটনার ৪ দিন পর শান্তার বাবা সামছুল হুদা বাদী হয়ে মামলা করেন।
|আরো খবর
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী
ছাত্রী শান্তা গত ৭ জানুয়ারি চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাসের জন্যে অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় আইদি পরিবহনের বাসটি শান্তাকে সজোরে চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা শান্তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক টিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে ঢামেকে শান্তা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
দুর্ঘটনার ৪ দিন পর রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) শান্তার বাবা সামছুল হুদা বাদী হয়ে ঘাতক বাসের চালকসহ ক'জনকে আসামী করে সড়ক পরিবহন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
চাঁদপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নং নং-৪৭। ধারা-৯৮/১০৫ সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮, আইদি পরিবহন (বাস), যার রেজি. নং- কুমিল্লা ব-১১-০৩৭৩।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো.ফয়েজ আহমেদ জানান, বাস চাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয় নি। তবে শীঘ্রই আসামিদের
আইনের আওতায় আনা হবে।








