শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৫ আশ্বিন ১৪৩১, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬  |   ২৯ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে 'আল্লাহু চত্বর'
  •   চাঁদপুর কণ্ঠৈর কলামিস্ট এএসএম শফিকুর রহমানের ইন্তেকাল
  •   নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী
  •   জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ প্রধান উপদেষ্টার ১০০ কোটি টাকার অনুদান
  •   মেঘনায় নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ১৮:০১

শাহরাস্তির বিজয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
শাহরাস্তির বিজয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

চাঁদপুরের শাহরাস্তির বিজয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়ম এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম বরাবরে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী এক প্রার্থী লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের বিজয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ল্যাব সহকারী পদের প্রার্থী বিজয়পুর গ্রামের মাকসুদুর রহমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলেন। তিনি অভিযোগে জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামাল হোসেনের নিকটাত্মীয় ছালাউদ্দিন ভূঁইয়াকে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্য গোলাম জিলানীর কন্যা সাবরিনা নাসরিনকে ল্যাব সহকারী হিসেবে মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়। নিয়োগ কমিটি প্রকৃত মেধাবী প্রার্থীদের মেধার মূল্যায়ন না করে অর্থের কারণে অবমূল্যায়ন করেছেন।

অভিযোগকারী জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামাল আহমেদ, প্রধান শিক্ষক মোখতার হোসেন ও সদস্য গোলাম জিলানী অনিয়মের মাধ্যমে এ নিয়োগ বানিজ্য করেন। আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে অবৈধ এ নিয়োগ বাতিল ও তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখতার হোসেন জানান, ১ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ সহকারী প্রধান শিক্ষক, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ও নৈশ প্রহরীর শূণ্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহন, ফলাফল প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছেন নিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তাগণ। নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন, চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার, ডিজি প্রতিনিধি, মাননীয় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি- মাননীয় সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। এতে আমি প্রধান শিক্ষক কিংবা বিদ্যালয়ের সভাপতির কোন দায়িত্ব বা হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই এবং ছিলো না। একটি মহল আমাদের ও বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়