প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫
ফুলের জন্মদিন

মো. তানজিদ কোতয়াল
ফুলের জন্মদিন
উৎসর্গ : প্রিয় শিক্ষক— উম্মে হাবিবা দোলন।আজ দোলনচাঁপার পুষ্পিত জন্মতিথি,
নবপল্লবে দোলে আজ আনন্দের গীতি;
পাপড়ির ভাঁজে ভাঁজে সঞ্চিত সুবাস,
নীরব সৌন্দর্যে আজ মুখরিত আকাশ।কোনো বাদ্য বাজেনি, তবু
বাতাসের বুকে সুরের অনুরণন,
কোনো প্রদীপ জ্বলেনি, তবু
আলোয় আলোয় মুখরিত উদ্যান।দোলনচাঁপা, তোমার পাপড়িতে
কোন অদৃশ্য শিল্পীর কারুকাজ!
তোমার নীরব প্রস্ফুটনে
বিস্মিত হয়ে থেমে থাকে আজ।তুমি কি জানো, ফুলেরও জন্মদিনে
কত না-বলা কথা ফোটে?
কত সুপ্ত অনুভব নিঃশব্দে
সুবাসের পাখায় ভর করে ছোটে!তোমার সৌরভ কেবল বাতাসে
হারিয়ে যাওয়ার জন্য নয়,
কিছু সুবাস সময় পেরিয়েও
স্মৃতির অন্তঃপুরে বিলীন হয় না।তাই তোমার এ শুভলগ্নে
চাই না অলংকার, চাই না আয়োজন—
তোমার প্রতিটি আগামী প্রভাত
হোক নবপুষ্পের অভিষেক,
আর প্রতিটি অস্তরাগের শেষে
জেগে থাকুক অনিঃশেষ সুবাসের আবেশ।সময়ের খাতায় লেখা থাকুক শুভ দিনের আখ্যান,
দোলনচাঁপার সুবাসে পূর্ণ হোক অজস্র প্রাণ।
যে ফুলের গন্ধ হৃদয়ে একবার জাগে,
তার রেশ বেঁচে থাকে যুগের পর যুগে।***
সাহসের সাথী শিক্ষক
যখন লেখার পথে আমি হারিয়ে যাই,
শব্দেরা তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়—
শিক্ষক এসে পাশে দাঁড়ায়,
নীরব ভরসায় কলমকে শেখায় চলা।ভাঙা ভাবনায় সে জ্বালে আলো,
সন্দেহের কুয়াশা সরিয়ে দেয় ধীরে।
আমার গল্পে সে রাখে শ্বাস,
সাহসের অক্ষরে গেঁথে দেয় বিশ্বাস।ভুল হলে বলে, আবার লেখো,
হাল ছাড়ার আগেই দেয় দিশা।
লেখক হওয়ার স্বপ্নে তার ছায়া,
কৃতজ্ঞতায় আজ কবিতার নাম,
শিক্ষক তার নাম দোলনচাঁপা।






