প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫
নিশ্চয়ই প্রেমে পড়ে যাবেন
যেখানে কিছু মানুষ থাকে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, যত লেখালেখি আর গবেষণার বিষয় নিয়ে। চলে কথোপকথন প্রাসঙ্গিক হাসি, আনন্দ প্রভাবক হিসেবে থাকে মুড়ি, আলুপুরি, চালভাজা, বাদাম, চানাচুর, কাঁঠাল ও সীমের বীজ ভাজা, লটকন, আম, কাঁঠাল আর মৌসুমি যত ফল সাথে গরম গরম চা আহা। এই উর্বর প্রতিষ্ঠানটি হল সাহিত্য একাডেমী, চাঁদপুর। নিত্যদিনের সন্ধ্যা-পরবর্তী অবকাশে একাডেমিতে না গেলে মনে হয় আজ কিছু একটা বাদ পরে গেল। আর একাডেমির সদস্যদের ভালোবাসা বর্ণনাতীত। সকলের হাসিমুখ বার বার কাছে টানে। আমি অতি সাধারণ এক সদস্য। সাহিত্য একাডেমির চার দশকপূর্তি উপলক্ষ্যে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা উপ-কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব অর্পিত হলো আমার অগোচরে। আমি বলার আগেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল সকলে। মহাপরিচালক জনাব কাদের পলাশ বললেন, যেভাবে আপনাদের ভালো হয় করেন। কোন প্রয়োজন হলে আমি আছি। উপ-কমিটির সভাপতি জনাব আবদুল্লাহিল কাফী আমায় বলেন, খোকন বাবু আপনার যেমন ইচ্ছে করেন যেভাবে ভালো হয়। মুহাম্মদ ফরিদ হাসান (পরিচালক), মাইনুল ইসলাম মানিক (পরিচালক), আশিক বিন রহিম (পরিচালক), সুমন কুমার দত্ত, ইমরান শাকির ইমরু, নূরে আলম পাটোয়ারী, রাজীব কুমার দাস, লিটন ভাই (প্রিজম) আবৃত্তি প্রতিযোগিতা সফল করার বাহক, করেছেন সহযোগিতা, বেঁধেছেন কৃতজ্ঞতায়। আর প্রতিযোগিদের আনন্দঘন উপস্থিতি উৎসাহ এবং সংখ্যা বুঝিয়ে দিয়েছে কতটা সুন্দর ছিল সামগ্রিক আয়োজন। একে অন্যকে সাহিত্য প্রেমে আবদ্ধ করার চিত্রপট সাহিত্য একাডেমী, সেটা এত কাছে না আসলে জানতাম না।
চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির এই ভালবাসা অক্ষুণ্ন থাকুক। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
লেখাটি যারা পড়ছেন আসুন একবার চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির যে কোন আড্ডায়। নিশ্চই একাডেমির ভালবাসায় প্রেমে পড়ে যাবেন। ভালবাসি এবং ভালবাসা সাহিত্য একাডেমী, চাঁদপুর।







