প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৪
মতলবে এসএসসিতে পাসের হার ৬৭.৩২।। ৯৮জন পেয়েছে জিপিএ-৫
ফলাফলের শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল
রেদওয়ান আহমেদ জাকির ও মুহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ।। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ২০৬৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৩৯১জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৬৭.৩২। সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮জন। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছরে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। গত বছর ২৩১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১২৯৯ জন কৃতকার্য হয়। পাসের হার ছিল ৫৬.২০। সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯জন।
|আরো খবর
এবারের ফলাফলে উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, মতলব কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৮জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৮জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৩৭.৫০।
আশ্বিনপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ৯৬জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৬জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। পাসের শতকরা হার ৭৯.১৭।
মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৮জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করে ১৩৪কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১জন। পাসের হার ৮৪.৮১। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৫জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৫জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮জন। পাসের শতকরা হার ৮০.৪৮। নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যলায় থেকে ১৪৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩জন কৃতকার্য হয়েছে।জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন। পাসের হার ৫৭.৬৪। মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮২জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯২জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৫০.৫৫। বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪১জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। পাসের হার ৮৭.২৩। নওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯জন শিক্ষার্থীর কৃতকার্য হয়েছে ৩৪জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬৯.৩৯। বরদিয়া কাজী সুলতান আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২১জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬০.০০। হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮১জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৫জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬৭.৯০।
লাকশিবপুর ফিরোজা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৯জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪১জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৯.৪৯।
নায়েরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৫জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৩জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। পাসের হার ৬২.৩৫।
নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪৫জন। পাসের হার ৭৫.০০। আধারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২২জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৮৪.৬২। বহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৮জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪০জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৮৩.৩৩।
বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২০জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৪৬.৫১। দগরপুর আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৫জন। পাসের হার ৪৬.২৯। ধলাইতলি জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৪৫.৬৫। কাচিয়ারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৬জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৪জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। পাসের হার ৬৬.৬৬। কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬৫.৪১। আচলছিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৩জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪০জন। পাসের হার ৬৩.৪৯। কাশিমপুর পুরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৩৪.৮৮। লামচরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৯জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৭০.৩৭।
পয়ালী কেবিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৮জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬৬.৬৭। আদর্শ স্কুল মতলব থেকে ৩৬জন শিক্ষার্থীর ১৭জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৪৭.২২।
দিঘলদী এমএ সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৫৬.৭৫। আলহাজ্জ তোফাজ্জল হোসেন ঢালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৯জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮জন। পাসের হার ৭৫.৭৫। ডিঙ্গাভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৭জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৬৯.২৩। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ৭৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩জন। পাসের হার ৯৮.৬৪।






