শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০১:৩৭

বাগাদী গণি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
বাগাদী গণি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
ক্যাপশন :বাগাদী গণি উচ্চ বিদ্যালয়।ছবি : সংগৃহীত

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী গণি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কেন্দ্র ফি নেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষার আগে প্রবেশপত্র আনার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে আবার অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এছাড়া তিনি বিভিন্ন কাজে অনিয়ম করে আসছেন। তিনি অর্থের বিনিময়ে বিভিন্নজনকে ম্যানেজ করে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে ফেলেন। তার অনিয়ম ও বিভিন্ন বাণিজ্যের কারণে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক'জন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলামের নির্দেশে প্রবেশপত্র আনার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে কেন্দ্র ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। ফরম পূরণের সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্র ফি নেওয়া হয়। কিন্তু প্রবেশপত্র আনার সময় পুনরায় অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। বিদ্যালয়ে সবসময় বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলেও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কয়েকজন লোক ও ক্ষমতাবান কমিটির সদস্যদের ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পায়নি। তাদের বিরুদ্ধে বা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথা বললে মামলা-হামলার শিকার হতে হবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালীদের সঙ্গে আঁতাত করে একই বাড়ির চতুর্থ শ্রেণির ৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়াসহ বিভিন্ন নিয়োগ বাণিজ্য করেন। এমনকি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাত থেকে বিভিন্নভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। অযোগ্য ব্যক্তিকে টাকার বিনিময়ে যোগ্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, যার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটির গুটি কয়েকজনও টাকা পেয়েছেন। বিদ্যালয়ের সৌর বিদ্যুতের সরঞ্জাম বিক্রির হিসেবেও গরমিল রয়েছে।

বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে অনেকে এ বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। অপরদিকে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী রাতের বেলায় বিদ্যালয়ে অনৈতিক কাজমাদক সেবন করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করা হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে সচেতন মহল আশাবাদী।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি অভিযোগের বিষয় এড়িয়ে গেছেন, বক্তব্য দেয়ার তাগিদ অনুভব করেন নি।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়