প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:১১
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে ‘তারুণ্যের প্রত্যয় ২০২৪’

সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের চেতনা জাগ্রত করতে 'স্মরণে জুলাই : তারুণ্যের প্রত্যয় ২০২৪' শীর্ষক বিশেষ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
|আরো খবর
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্কুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ ভিত্তিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘জুলাই মহাগাথা’ শীর্ষক নাটক এবং গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘রক্তে লেখা স্মরণ : দাবানলের দুনির্বার’-এর প্রদর্শনী। এছাড়াও শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে ‘জুলাই আপরাইজিং আর্কাইভ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
স্মৃতিচারণ ও আবেগঘন পরিবেশ :
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও আহত ব্যক্তিরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে শহীদ শ্রাবণের বাবার স্মৃতিচারণ উপস্থিত সবার মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলও অনুষ্ঠিত হয় ।
অতিথিদের বক্তব্য :
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সানজানিদা ইসলাম তুলি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ গোলাম রব্বানী এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. মাহাবুব উল হক মজুমদার। বক্তারা তাদের বক্তব্যে শহীদদের আত্মত্যাগের মহিমা তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশ গড়ায় তরুণদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
পুরস্কার বিতরণ ও সমাপ্তি :
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার এবং কর্মসূচিতে অবদান রাখা শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো এবং একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়ার অঙ্গীকারকে সুদৃঢ় করা ।








