প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ১৬:৫৩
লিটন সাহার মৃত্যুতে পুরাণবাজার বারোয়ারি মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা

চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন সাহার অকাল মৃত্যুতে সনাতন ধর্মানুসারে তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি ও সদগতি কামনায় পুরাণবাজার বারোয়ারি শ্রী শ্রী গৌর নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে।
পুরাণবাজার বারোয়ারি মন্দির ও শ্রী শ্রী গৌর নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর মন্দির কমিটি এ প্রার্থনার আয়োজন করে। মন্দিরের সেবাইত দুলাল চক্রবর্তী, অন্তর চক্রবর্তী ও বনমালী চক্রবর্তী প্রার্থনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর চেম্বার এন্ড কমার্সের সভাপতি ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোপাল সাহা ও জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ মালাকার। মন্দির কমিটির লোকজন ও বাজার ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী গৌর নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু সাহা, বারোয়ারি মন্দির কমিটির সভাপতি প্রমোদ দাস, সাধারণ সম্পাদক মানিক লাল সাহা, হরিসভা দুর্গাপূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শম্ভু সাহা, নারায়ণ স্টোরের গোবিন্দ সাহা, প্রফেসর সমীরন ঘোষ, খাদ্য ভাণ্ডারের গোবিন্দ সাহা, ব্যবসায়ী সুবল পোদ্দার, বিনু সাহা, জনি সাহা, হরিসভা মন্দির কমপ্লেক্স কালী পূজা কমিটির টুটুন বণিক, বারোয়ারি মন্দিরের দীপক সাহা, লিটন দাস, বিপ্লব সাহা, রামু সাহা, সমর সাহা, খোকন সাহাসহ আরো অনেকে।
শ্রীশ্রী গৌর নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক, প্রয়াত ব্যবসায়ী পরেশ চন্দ্র সাহার জ্যেষ্ঠ পুত্র শিমুল সাহা বলেন, চাঁদপুর শহরের রতন স্টোরের মালিকের সন্তান লিটন সাহা সনাতন সমাজ ও পূজা কমিটির একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং পরম করুণাময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও প্রিয়জনদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি ও সান্ত্বনা দান করেন।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন কুমার সাহা (৪৫) গত ২ জুন ২০২৬ (মঙ্গলবার) হাসপাতালে স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।








