প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৩
খুড়ে রাখা হয়েছে রাস্তা, ধীরগতিতে চলছে কাজ
অভয়বাবুর দিঘীরপাড়-দশআনি সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে!

একটি আদর্শ সড়কের মূল লক্ষ্য জনমানুষের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা। কিন্তু চাঁদপুর সদর উপজেলার কল্যাণপুর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক এখন সাধারণ মানুষের জন্য আর্শীবাদ না হয়ে ‘অভিশাপ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভয়বাবুর দিঘীরপাড় (গিয়াস উদ্দিন খানের বাড়ি) থেকে শুরু করে দশআনি দিঘীরপাড় হয়ে দেওয়ানবাড়ী ও প্রধানিয়াবাড়ি পর্যন্ত সড়কটির পাকাকরণ কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা কচ্ছপগতিতে চলায় প্রায় এক লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে।
|আরো খবর
আশার আলো এখন হতাশার কারণ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ঘটা করে সড়কটির সংস্কার ও পাকাকরণ কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলী। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই কাজ শুরু হওয়ায় খুশি হয়েছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু কাজ শুরুর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতির হার হতাশাজনক। বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতিতে সড়কের বিভিন্ন অংশ খুঁড়ে বড় বড় গর্ত করে রাখা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল প্রায় রুদ্ধ।
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই খুঁড়ে রাখা গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে পুরো পথ।
"রাস্তায় পানি জমে থাকায় অনেক সময় পা পিছলে পড়ে জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আবার বাড়ি ফিরে পোশাক বদলে আসতে হয়। এটি আমাদের জন্য মানসিক ও শারীরিক সংকট তৈরি করছে।"
জনসাধারণের দাবি এলাকাবাসীর মতে, মেরামতের নামে সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বর্ষা মৌসুম পুরোদমে শুরু হওয়ার আগেই যদি কাজ শেষ না করা হয়, তবে এই এলাকা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে ঠিকাদার, দায়িত্বরত প্রকৌশলী এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বর্ষা আসার আগেই যেন যুদ্ধের তৎপরতায় রাস্তাটির কাজ শেষ করে নিরাপদ চলাচলের উপযোগী করা হয়।
ছবির ক্যাপশন: বাবুরহাট অভয়বাবুর দিঘীরপাড় থেকে দশআনি দিঘীরপাড় সড়কের সংস্কার কাজ ফেলে রাখায় তৈরি হয়েছে বেহাল দশা। বড় বড় গর্ত ও কর্দমাক্ত পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সাধারণ মানুষ।
ডিসিকে এমজেডএইচ








