বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   ১৬-২৫ মার্চ নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ২১:৪৮

চোখ বেঁচে থাক চোখের আলোয়'

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
চোখ বেঁচে থাক চোখের আলোয়'

মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজার সদরের বাসিন্দা মো. আব্দুর রহিম (৩৯) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষু ব্যাংকের কাউন্সিলরগণের একটি টিম মরহুমের পরিবারের নিকট দুজন অন্ধের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যে মরহুমের কর্ণিয়াদ্বয় দান করে যাবার অনুরোধ জানান। মরহুমের ভাই দৃষ্টিশক্তিহীন অন্ধের প্রতি সহানুভূতির হাত প্রসারিত করে সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষু ব্যাংককে কর্ণিয়া দানের ইচ্ছা পোষণ করেন।

'মৃত্যু কেড়ে নিবে জীবন কিন্তু চোখ বেঁচে থাকবে আরেক জীবন' এ বচনটুকু সার্থক করতে দু'জন অন্ধের চোখের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যে মরহুম মো. আব্দুর রহিম (৩৯)-এর কর্ণিয়া সংগ্রহে সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষু ব্যাংকের টিমকে তিনি (মরহুমের ভাই) সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালে বিশিষ্ট কর্ণিয়াল সার্জন ডা. সৈয়দ এ হাসান সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষু ব্যাংকের সংগৃহীত কর্ণিয়াদ্বয় যশোর জেলার নীলগঞ্জের বাসিন্দা রেজিনা আক্তার (৪১) এবং গাজীপুর জেলার মুজার মিলের বাসিন্দা মো. দানেশ (৫৫) নামের দু'জনের চোখে সফল অস্ত্রোপচার করেন। রেজিনা আক্তার ও মো. দানেশ দৃষ্টি ফিরে পেয়ে আবার দেখতে পাবে পৃথিবীর রং, রূপ ও সৌন্দর্য।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪১৯২টি কর্ণিয়া সংগ্রহের মাধ্যমে ৩.৫৩১ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে।

সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক কাশেম এবং মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন দেশে অসংখ্য কর্ণিয়া অস্বচ্ছতাজনিত দৃষ্টিশক্তি হতে বঞ্চিত হতভাগ্যদের চোখে কর্ণিয়া প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে মরহুমের পরিবারের পদাংক অনুসরণ করে এগিয়ে আসার জন্যে সর্বস্তরের জনগণকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়