প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০০:০০
চলন্ত বাসে লটারী ও চকলেট বিক্রি, ভিক্ষুক সেজে বিনোদন

শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের আয়োজনে এবারের আনন্দ ভ্রমনটি স্মরণে রাখবে সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। গত ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ২৫ জন গণমাধ্যম কর্মীর পারিবারিক শতাধিক সদস্য নিয়ে দুটো পদ্মা বাসযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন সকলে।
সবাই মিলে এক হই,
খুশি আর আনন্দে রই
এই ঘুমন্ত প্রতিপাদ্যকে জাগ্রত করতে ঐক্যবদ্ধ গণমাধ্যম কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাত সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী স্বপন কর্মকার মিঠুনের নেতৃত্বে ১নং বাস এবং সভাপতি মঈনুল ইসলাম কাজলের নেতৃত্বে ২নং বাসটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
কুমিল্লা বিশ্বরোড অতিক্রম করার পর ২নং বাসে শুরু হলো গান আর গল্প। কিছুক্ষণ পরে আসলো লটারী বিক্রেতা। সাথে সাথে শুরু হলো চকলেট বিক্রেতার ডাক। লটারী ও চকলেট বিক্রির শেষ পর্যায়ে বাসে উঠলো একদল স্টাইলিশ সাজা ফকির। যারা পেটুক শাহের মাজারের জন্যে সবার কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করেন।
শুরু হলো একের পর এক আনন্দ আর বিনোদন। এরই মধ্যে বাস দুটো চট্টগ্রাম পেরিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে চলতে শুরু করেছে।
২নং বাসে ফয়েজ আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, মোঃ হাসানুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম ও ফয়েজের স্ত্রী রোমানা রুমকী ওই সকল আনন্দ বিনোদনের উৎসগুলো বাস যাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে দেন।
সেদিন রাতে আমিনুল ইসলাম ও হাসানুজ্জামান লাকী কুপনের লটারী বিক্রি শেষে রোমানা রুমকী ও হাসানুজ্জামান চকলেট বিক্রি করেন। অবশেষে একদল ডিজিটাল ফকির সেজে হ্যান্ড মাইক নিয়ে উঠলেন বাসে। সেখানে ফয়েজ আহমেদের নেতৃত্বে হাসানুজ্জামান ও রফিকুল ইসলাম পেটুক শাহের মাজারের টাকা উত্তোলন করেন।
চট্টগ্রাম পেরিয়ে হলো যাত্রা বিরতি। লটারী, চকলেট বিক্রেতা ও ফকির দল বিরতির সুযোগে ১নং বাসে উঠলেন। সেখানেও চলছে বিক্রি আর পেটুক শাহের মাজারের টাকা তোলা।
আহ্! সব মিলে দুটো বাসে আনন্দ আর আনন্দ। যারা কম হাসেন তারাও সেদিন হেসেছেন। বিনিদ্র রজনী আর রাস্তা পেরিয়ে গন্তব্য মোটেল লাবণী। এই দিনগুলো সবার মনের গহীনে মন্থন করে স্মৃতির পাতায় অমলিন, আলোচ্য থাকবে--এমনটাই প্রত্যাশা।