প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৪, ০০:০০
বীর

রক্তগঙ্গায় স্নান করিয়া
তীর-ধনুক বাহে বহিয়া,
চলিয়াছি চির দূর দিগন্তে
যেখানে জীবন শেষ সীমান্তে।
উঠিয়াছি আমি তীব্র গর্জে
জমিন কাঁপিছে ভয়াল হর্ষে।
তাণক বীণার পানক চাহিয়া
রক্ত দিয়ে জীবন সাজিয়া
হইয়াছি মমশির,
রণক্ষেত্রের দামামা বাজে আমি এক বীর।
আমি নজরুল, জয়ন্তের রাগ
আমি দুহাত দিয়ে করেছি বিশ্ব ভাগ।
আমি কাণ্ডারি তব তোমা,
আমি ফুটিবো সেথায় হয়ে অগ্নি বোমা।
আমি অহংকারকে করেছি পায়ের ধূলি
আমি মিথ্যা করেছি ধ্বংস, সত্য করেছি বুলি।
যে কণ্ঠে ছিল গান, তা হয়েছে বজ্রধ্বনি
অসৎকে ভুলতে গিয়ে হয়েছি কত খুনি।
আমি মৃত্যুর মুখের কান্না,
আমি জ্বলন্ত রক্ত-বন্যা।
দু হাতে আমার জীবন-মরণ, জমিন-আসমান,
রক্তের স্রোত রহিয়াছে সেথা আজও বহমান।
আমি বীর,
আমার এক চোখে প্রেম, অন্য চোখে তীর।
আমি মুক্ত বিহঙ্গে উড়ে চলি,
আমি রক্ত দিয়ে প্রেম করেছি ধূলি।
আমি বিদ্রোহী হয়ে আসিব বারে বার,
সকল পাপ করিয়া মুছন, হাসিব একাকার।
আমি বীর,
আমি স্রষ্টা বিনা করি না নতশির।
আমি বীর,
আমি চির উন্নত মমশির।