প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৪, ০০:০০
অপরূপ সুন্দরী

পদ্মা-মেঘনার সঙ্গমস্থলে
বয়সী বটবৃক্ষের অজস্র ঝরাপাতা
ঝির ঝির বাতাসে
ফড়িং দলের মতো উড়ে চলে।
পদ্মা-মেঘনার ঘোলা জলে
কত রঙের নৌকা ভেসে চলে
জেলের দল ছোট নৌকা নিয়ে
ইলিশ আহরণে অজানায় ভেসে।
পদ্মা-মেঘনায় উত্তাল স্রোত
উজান বেয়ে যেতে চেয়ে
মাঝি তার হাল টেনে ধরে
ভেসে যায় মাঝ দরিয়ার অন্তকূলে।
ডাঙ্গার বসে শালিকের দল
আহার খুঁজে ডাকে কিচির মিচির
কিশোরের দল মেঘনার ঘোলা জলে
দুষ্টুমিতে মেতে উঠে।
মাঝি-মাল্লা চিৎকার করে বলে
যাবেন ভাই মিনি কক্সবাজারের চরে
পদ্মা-মেঘনার উত্তালতা
পিলে চমকে উঠে, না ভাই যাব না।
পদ্মা-মেঘনার সঙ্গমস্থলের
সারি সারি পাকা বেঞ্চে
কপোত-কপোতি খোস-গল্পে মত্ত
আমি একা বসে লিখি কিছু প্রলাপ।
দিগন্তজুড়ে শুধুই জলরাশিতে
ট্যাঙ্কার, লঞ্চ আর নৌকা ভাসে
প্রাতকালে ভ্রমণপিপাসু
অ্যান্ড্রোয়েড মোবাইলে প্রকৃতি ধারণ করে।
চাঁদমুখের চাঁদ কুমারী
সবার প্রিয় স্থানটি জানি
গর্বে মোদের বুক ভরে যায়
জন্মেছি আমি চাঁদ নগরিতে।