প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০০:০০
উদাসী গৃহে

ওখানে যাওয়া হয়নাকো যেন আর
কতো চিত্রাবলী, নদীর আসঙ্গ সুর
ছায়ার শরীরে তুমি আছো কিবা নেই
ছাপ ছাপ ধূপ ছায়া, গূঢ় আভাসিত পথে
ক্ষণিক দাঁড়াই যদি পাড়ভাঙা কূলে, কাদা মাটি ঘাস
তীর ঘেঁষা হাওয়া ছুঁয়ে যাওয়া চুলে।
নিজেকে আড়াল করে যদি ডাকো একবার
আমার ভিতরে জাগে সংশয় -ঘুণ
আষাঢ় বিলাসী মন যায় ছুটে চাঁদমারি মাঠে
সেখানেও নদী বকের ডানার মতো সাদা হয়ে আসে
বলেশ্বর কতো নিরিবিলি বেশে, কী সৌন্দর্যের ছায়া তার।
কোনো একদিন বৃষ্টিতে ভিজে কোনো এক সবল তরুণ
অনিবার্য দাঁড়ায় যেন লাজুক আঙ্গিকে
শরীরে তখোন তার লঘু গন্ধ স্বেদ
সুগন্ধি বালিকা, বুকের ভিতরে অবুঝ কষ্ট ক্ষণে ক্ষণে।
তবুও শিকড়-উদাসী গৃহে যদি একবার
মেঘ ফুঁড়ে কথা কাঞ্চী মুখে, জেগে ওঠে প্রেম বোধ
দূরতায় একদিন খোঁপা খুলে গিয়ে ছিলো হেঁটে
বৃদ্ধ মহা নিমের নিচ থেকে চলে যায় মেঠো পথ
বুকের ভিতরে চিত্রাবলী মেঘের রেখার মতো
জানিনি সত্য তুমি আছো কিবা নেই
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যেতে যেতে ফিরি পথ শেষে।
১৫ জুন ২০২৪, ঢাকা, ১ আষাঢ় ১৪৩১, বর্ষাকাল।