শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৪, ০০:০০

সফলদের মুখোমুখি : সঞ্জয় দেওয়ান

চাকুরি পেতে নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
চাকুরি পেতে নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করতে হবে

সঞ্জয় দেওয়ান। জন্ম চাঁদপুরের হাইমচরে। পড়াশোনা করেছেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগে। বর্তমানে তিনি বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১)-এর একান্ত সচিব। যুক্ত আছেন সাহিত্য চর্চার সঙ্গেও। তার চাকুরি পাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা শুনেছেন চাঁদপুর কণ্ঠের শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রকাশিত হলো।

চাঁদপুর কণ্ঠ : কেমন আছেন?

সঞ্জয় দেওয়ান : আমি ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

চাঁদপুর কণ্ঠ : চাকুরির প্রস্তুতি কবে থেকে শুরু করেছিলেন?

সঞ্জয় দেওয়ান : অনার্সে ভর্তির পর থেকে চাকরি প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। প্রাক-প্রস্তুতি বলতে পারেন; নিয়মিত কারেন্ট এফেয়ার্স পড়তাম; দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয়, আন্তর্জাতিক পাতা, সাহিত্যপাতা যত্নসহকারে পড়তাম। পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি মূলত অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার পর নিয়েছি।

চাঁদপুর কণ্ঠ : চাকুরির প্রস্তুতি নিতে কী কী অসুবিধায় পড়েছিলেন?

সঞ্জয় দেওয়ান : বিজ্ঞান, গণিতে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে। চাকুরির পরীক্ষার জন্য সহযোগী কম পেয়েছি। মানসম্মত বইয়ের অপ্রতুলতা ছিল। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতাও ছিল।

চাঁদপুর কণ্ঠ : হতাশ হতেন? হলে কী করতেন?

সঞ্জয় দেওয়ান : মনের গহীন কোণে হতাশা ছিল। হতাশ হলে সফলদের আত্মকথা ও বক্তৃতাগুলো পড়তাম বিভিন্ন মাধ্যমে। তীব্র আত্মবিশ্বাসের দরুণ হতাশা বিরাজ করলেও গ্রাস করতে পারতো না।

চাঁদপুর কণ্ঠ : প্রথম চাকুরি কী ছিলো? চাকুরি পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিলো?

সঞ্জয় দেওয়ান : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগদান করি। প্রথম চাকরি পাওয়ার খবর হরিষে বিষাদ ছিল। কারণ প্রায় একই সময়ে ৩৫ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। বিসিএস প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটবে এ রকম আশংকা ছিল।

চাঁদপুর কণ্ঠ : আর কী কী চাকুরি পেয়েছেন?

সঞ্জয় দেওয়ান : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পেয়েছিলাম। প্রায় নয় মাস সেখানে কাজ করেছি। এমপিওভুক্ত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলাম, যোগদান করা হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেকায়েপ প্রজেক্ট থেকে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছিলাম, যোগদান করা হয়নি।

চাঁদপুর কণ্ঠ : বর্তমানে কোন চাকুরি করছেন? বর্তমান কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে বলুন।

সঞ্জয় দেওয়ান : ৩৫ তম বিসিএস থেকে ননক্যাডারে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)’র সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদান করি। বর্তমানে বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মহোদয়ের একান্ত সচিব পদে সংযুক্ত রয়েছি। সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে সেবার ব্রত নিয়ে কাজ করার দারুণ সুযোগ রয়েছে।

চাঁদপুর কণ্ঠ : চাকুরি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।

সঞ্জয় দেওয়ান : চাকরি প্রার্থীদের মৌলিক বিষয়ে দখল থাকতে হবে। প্রাসঙ্গিক সকল বিষয়ে ধারণা রাখবে। চিরায়ত সাহিত্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কিত সম্যক জ্ঞান অর্জন করবে। সর্বোপরি, পরম নিষ্ঠার সাথে ধৈর্য সহকারে অধ্যয়ন করবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়