প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১
শূন্যতার ক্যানভাসে

তোমার চোখের গভীরে তাকালে কোনো মানুষের অবয়ব নয়, আমি দেখতে পাই সাজেক বা সেন্টমার্টিনের মতো এক আদিম, নিস্পাপ নীরবতা। মহাকালের নিয়মে আমাদের বৃদ্ধাঙ্গুল ছুঁয়ে মুছে যাক হৃদয়ের যাবতীয় কালিমা আর জমে থাকা বিষণ্নতার ইতিহাস।
নশ্বর এই পৃথিবীর কোলাহল থেকে দূরে, কাঁধে মাথা রেখে কুড়িয়ে নেওয়া যাক অস্তিত্বের পরম সুখ। কোনো এক পরম শক্তির দেওয়া শান্তির আগামবার্তা হয়ে এই ক্ষণিক সহাবস্থানটুকু টিকে থাকুক।
কাছে আসো, অহংকার আর দূরত্ব মুছে দাও—কেননা মানুষ মরণশীল। সময়ের নদী কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দেয় না।
নীরবতার ভাষা
আমাদের ফেলে আসা দিনগুলো ভেসে যাচ্ছে কাগজের নৌকার মতো, কিংবা সুতো ছেঁড়া কোনো ঘুড়ির মতো—যা আর কখনোই এই মর্ত্যে ফিরবে না। তাই এই মুহূর্তে শব্দ খরচ করে প্রকৃতির পবিত্রতাকে নষ্ট কোরো না।
যত পারো চুপ থাকো। নীরবতা যেখানে গভীর, সত্য সেখানে স্পষ্ট।
মুক্তি ও রূপান্তর
তোমার শাড়ির আঁচলের উড়ান যেন এক দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অর্জিত কোনো বিজয়ের পতাকা—তাই চারপাশের এই থমথমে বাতাসও আজ মুক্তির সুবাস ছড়াচ্ছে। তুমি চুল বেঁধে রেখো সর্বদা, গোছানো রেখো নিজেকে; কারণ জীবনের যেকোনো অনিশ্চিত মোড়ে আমি এনে দিতে পারি একমুঠো চন্দ্রমল্লিকা, যা মলিনতাকে দূর করবে।








