প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০
কাঠগোলাপী

আমি তো লেখালেখির সূচিটা কীভাবে করবো সেটাও ভুলে গিয়েছিলাম!
এক গভীর বাস ভবনে নিজের রাজত্ব ও শুরু করেছিলাম!
চারপাশে তাকিয়ে তাকিয়ে শুধু সবুজ বনলতার খুন শুঁটি দেখতাম!
যেনো কোন দিন আমি কবিত্বময় জীবন বহন করিনি সেই পথে হাঁটা শুরু করেছিলাম!
কিন্তু না এ ঘোর আমার শতভাগের হলেও মনের কোথায় যেনো আপনি রয়েই গিয়েছিলেন!
তাইতো নির্বাসনে অবস্থান করেও আপনার ছবি পূর্নিমার আলোর মতো চকচক করে উঠল মনের আঙ্গিনায়!
আমি যেনো প্রান ফিরে পেলাম!
আবার কড়া নাড়লো আমার ঘরে শব্দেরা!
আমি ছন্দের প্রতি আকৃষ্ট হলাম!
আপনি নামক কাঠগোলাপীর রূপে মগ্ন হয়ে ফিরে এলাম কবিতার শহরে!
আপনার নাম নিতেই হৃদপিণ্ড পরিমিত ভাবে চলা শুরু করলো!
আমার সকল অমাবস্যা কেটে গেলো!
আমি সন্ধি করে নিলাম শব্দ চয়নের সাথে!
সেই থেকে বুঝে নিলাম প্রিয়দের কাঁচে বাঁধা থাকে সকল বসন্ত গুলো!
শুধু প্রকাশের স্বাধীনতা একেক সময় একেক রকমের হয়!
প্রিয় হৈমন্তী আমি হঠাৎই মায়ায় পড়ে ছিলাম আপনার!
শত আবেগের দুর্যোগ মোকাবেলা করে প্রেমের রাজত্ব গড়েছিলাম!
যা কাব্যের কাহিনিবিস্তারে সাক্ষরীত!
ম-ম রূপী সম্রাজ্ঞী ইন্দ্র রাণী মুহেবিয়া,
আপনার সিল্কি চুলের ভাঁজে এক গুচ্ছ কৃষ্ণচূড়া গুঁজে দিতে চাই!
সোনালুর হলুদরঙের ফুলে কান জুড়ে ঝুমকোলতা একে দিতে চাই!
লাল রঙের সাজপোশাকে আপনার মুখ খানি আবার দেখতে চাই!
দেখে দেখে আবার ফিরতে চাই মায়ার মোহনজালে!
ফিরতে চাই আপনার শহরে!
যে শহরে আমি নীরবে নিভৃত ভাবে আমি আমার সেই প্রথম দেখার কাঠগোলাপীকে নিজের মতো করে উপভোগ করতে পারবো!








