বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৯:৩৯

২২৫টি হাটে জেলার চাহিদা মেটাতে কোরবানির পশু প্রস্তুত

কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২২৫টি হাটে জেলার চাহিদা মেটাতে কোরবানির পশু প্রস্তুত

বৃহস্পতিবার (২৮ মে ২০২৬) পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে সামনে রেখে চাঁদপুরে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে ৭৫ হাজার ২৪৮টি। তবে জেলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৬৬ হাজার পশু। ফলে দাপ্তরিক হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৯ হাজার ১৫০টি পশুর সংকট দেখা যেতে পারে। যদিও জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, আশপাশের জেলা থেকে পশু এলে এ ঘাটতি থাকবে না।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের তথ্যমতে, এবার চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় মোট ২২৫টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। এছাড়া জেলায় বর্তমানে তালিকাভুক্ত খামারির সংখ্যা ৩ হাজার ৫১৫ জন। তাদের খামারে উৎপাদিত পশুর মধ্যে রয়েছে ৪৬ হাজার ২৮৩টি গরু, ১৯ হাজার ৩৪৬টি ছাগল, ৪৪৬টি ভেড়া এবং ২৩টি মহিষ। সব মিলিয়ে মোট প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ৬৬ হাজার ৯৮টি। এর মধ্যে ষাঁড় রয়েছে ২৭ হাজার ৩৪৬টি, বলদ ৮ হাজার ৩৬৬টি এবং গাভী ১০ হাজার ৫৭১টি।

খামারি অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি ও বিসমিল্লাহ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. হাবিবুর রহমান বেপারী জানান, খাদ্য, খড় ও শ্রমিকের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পশু পালন দিন দিন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। এক খামারি বলেন, আমরা নিজেদের উৎপাদিত ঘাস ও প্রাকৃতিক খাবারে ষাঁড়গুলো প্রস্তুত করেছি। কিন্তু খাদ্য ও শ্রমিকের খরচ অনেক বেড়েছে। এবার ভালো দাম না পেলে টিকে থাকা কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, লোকসানের কারণে অনেকেই খামার ব্যবসায় আগ্রহ হারাচ্ছেন। তাই খামারিদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনা প্রয়োজন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময় ভৌমিক বলেন, সংকট কেবল কাগজে-কলমে রয়েছে। প্রতি বছরই অন্যান্য জেলা থেকে পশু আসায় কোরবানির বাজারে চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তাই পশুর ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, জেলার খামারিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রেখে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোরবানি-পরবর্তী চামড়া সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্যে জেলায় প্রায় ৫২০ মেট্রিক টন লবণ বরাদ্দ রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়