প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫০
ইনসাফ চাই
সুদৃঢ় প্রসংশসিত খ্যাতিমান একজন মানব ছিল
সে হলো শহীদ শরীফ উসমান হাদি!
ন্যায়ের পক্ষে করতো লড়াই বজ্র কন্ঠে পেশ করতো বাণী!
ঘাতকের নির্মমতায় ঝরে গেল পুষ্প বৃক্ষের বুক থেকে,
শিকড় তাই শফত নিয়েছে আদায় করবে তার অধিকার!
নিউজফিডটে আজো তার মুগ্ধ কড়া হাসি!
সে হাসির ঢেউ উঠে মানবতার দাবি!
সকল প্রবীন নেমেছে মাঠে জিতবে এ লড়াই
হাদী শহীদরা মৃত নয় থাকবে মানচিত্রের বুকে আজীবন গাথিঁ।
নিষ্ঠুর সময়
জায়ান আহমেদ
এই যে সময়,
কেটে যায় কত নিষ্ঠুর গতিতে!
সবুজ বনানী,
তবু রূপ হারায় জানি ঋতুর আবর্তে!
পাখির কিচিমিচি জলের নাচানাচি থামে সন্ধ্যায়!
সূর্যের কিরণ,
মানে না কোন বারণ, ডোবে পশ্চিমায়!
রোজ অদৃশ্য যুগলের প্রেমে,
শিথীলতা নামে কারণে-অকারণে!
সুখের সংসার,
ভেংগে চুরমার হয় সময়ের ব্যবধানে!
মন মাজারে চিন্তার সাগরে, উঠে ঢেউ ক্ষনে ক্ষনে।
বয়সের ছাপ,করবে লোপ, তবুও নেই কেউ?
এ সময় কতোইনা নিষ্ঠুর।
জীবন বীণায় বাজে শুধু মৃত্যুর সুর!
অশ্রু ফোয়ারা
সুমাইয়া আমহেদ
অনাগত বর্ষণের আগমণ বাণী,
গগন থেকে ধরণী!
বটবৃক্ষ কিংবা গুল্মলতিকায়,
চতুষ্পদ প্রাণী-পিপীলিকায়!
দেয় জানান ঐ নীল আসমান!
নিকষ কালো মেঘপুঞ্জ
করে অভিমান!
কখনো ফটোগ্রাফের আলোর ন্যায়
বিজলী চমকিয়ে উঠে,
অথবা বিজলীর গুড়ুম গুড়ুম শব্দের ঝংকারে!
মনের কোণে মেথ জমে।
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুঃখের কণাগুলো
নেয় অসীম রূপ দুঃখপাথরে।
কখনো সে প্রকাশ পায়,
মেঘপুঞ্জের ন্যায় কালো গোমড়া মুখে!
বিজলির মতো হাসির ঝিলিকে,
কখনোবা বর্ষণের অঝোরধারায় ঝড়ে অশ্রু ফোয়ারা!
মজার শৈশব
আব্রাহার আহমেদ জাহিদ
আবার আমি ফিরে যেতে চাই,সেই শৈশবের গ্রামে,
যেথায় সন্ধ্যা হলেই কিশোর-ছেলের, ছুটাছুটি থামে!
পড়ার কেদারায় বসে ছেলেরা,জোরসে পড়ে ঢুলুঢুলু ঢুলে,
পূর্ণ পাতায় দুচোখ খোলে, হঠাৎ পিঠের কিলে!
রাত্রি যেথায় পুরোয় না,ঝিঝি ডাকে ঝি ঝি,
শব্দ করে পড়েই যায়, কিছু নাহি বুঝি!
গৃহপোষা পাখির সাথেই, আসে রাজ্যের ঘুম,
বিয়ে লাগলেই সারা পাড়ায়, লাগে খুশির ধুম!
হঠাৎ যে গহীন রাতে হুঁতোম পেঁচা ডাকে-’কুব কুব’,
মনের মাঝে মরার ভয়, জাগে সেই রাতে খুব!
রাত পোহালেই হৈ-হৈল্লোড়ে, শুরু হতো দিন,
এখন রাত হলেই বাজে, সেই শৈশবের বীণ!








