প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ২২:০৭
চাঁদপুরে কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ড 'গানে গানে ঈদ আনন্দ' সম্পন্ন

চাঁদপুর শিল্পী কল্যাণ পরিষদের পথচলার দেড় যুগপূর্তি উপলক্ষে দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ড 'গানে গানে ঈদ আনন্দ' অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাবে শনিবার (৬ জুন ২০২৬) বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে রাত ৮টায় এ রাউন্ড শেষ হয়। প্রথম রাউন্ডের ৩৬ জন ইয়েস কার্ড প্রাপ্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে তৃতীয় রাউন্ডের জন্যে ২৬ জন মনোনীত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ক্লীন চাঁদপুরের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অ্যাড. নুরুল আমিন খান আকাশ।তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে আমাদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেয়াই ভালো। আজকে যেসব কোমলমতি শিশু সেরা কণ্ঠ শিল্পী দ্বিতীয় রাউন্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানাই। ক্লিন চাঁদপুর সহসাই একটি বড়ো ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে। আপনাদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করবো। আজকে দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ডে যারা বিজয়ী হয়ে তৃতীয় রাউন্ডে আসবে তাদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন থাকলো।
উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে এবং প্রধান সমন্বয়কারী কেএম মাসুদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক চাঁদপুর পত্রিকার সহ-সম্পাদক মো. মোস্তফা মাল।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলমগীর হোসেন বাহার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কবির চোকদার।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক অঞ্জনা সাহা, চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সংগীত শিল্পী আলমগীর হোসেন বাহার, চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক সফিউদ্দিন মিতুল। প্রতিযেগিতা উপস্থাপনায় ছিলেন যৌথভাবে উৎসব উদাপন পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক তানিয়া ইশতিয়াক খান ও সমন্বয়কারী সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী।
দ্বিতীয় রাউন্ডে ২০১৮ সালে প্রথম সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযেগিতায় বিজয়ী সেরা ১০জন শিল্পীর একজন সিরাজুম মুনীর পান্থকে দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযেগিতায় সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তিনি প্রথম প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্ত চারজন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় এবং যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে উপহার প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রথম হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার সানজিদা আলম সাঞ্জু, দ্বিতীয় চাঁদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণকলি দেবনাথ এবং যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যাশা আচার্য প্রাচী ও অনন্ত দে অপু। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের অতিথি আওসাফ ট্রেডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা আক্তার।
দ্বিতীয় রাউন্ডে যন্ত্র সংগীতে ছিলেন উৎসব উদযাপন পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক মৃনাল সরকার ও শুভ দাস। নিবন্ধনের দায়িত্বে ছিলেন উৎসব উদযাপন পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক তবিবুর রহমান রিঙ্কু, অ্যাড. রফিকুজ্জামান রনি, বীরেন সাহা, মানিক দাস, সমন্বয়কারী মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও রাত্রী কর্মকার। আপ্যায়নের দায়িত্বে ছিলেন সমন্বয়কারী মোহাম্মদ নূরে আলম, ইমতিয়াজ উদ্দিন মাসুদ ও আসমা আক্তার।
তৃতীয় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হলেন যারা
চাঁদপুর জেলার বাছাইকৃত শিল্পীদের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে অংশগ্রহণকারী ৩৬ প্রতিযোগীর মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছেন ২৬ প্রতিযোগী। ৬ জুন ২০২৬ (শনিবার) বিকেলে চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাবে প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক অঞ্জনা সাহা, চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সংগীত শিল্পী প্রফেসর আলমগীর হোসেন বাহার এবং চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক সফিউদ্দিন মিতুল।
তৃতীয় রাউন্ডে আসা প্রতিযোগীরা হলো : মতলব দক্ষিণ উপজেলার পুনম চক্রবর্তী, চাঁদপুর সদর উপজেলার বিজয়া মণ্ডল, হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যাশা আচার্য প্রাচী, চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘা ঘোষ, হাজীগঞ্জ উপজেলার সৃষ্টি কর্মকার সকাল, অনিক রায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৃথুলা মজুমদার, শাহরাস্তি উপজেলার আদিত্য দাস, হাজীগঞ্জ উপজেলার ইনামা খাতুন ফাগ্লুনী, তমাল সাহা, চাঁদপুর সদর উপজেলার মিথিলা ঘোষ, প্রজ্ঞা পাল, কাজী কাবীসা, অর্না মজুমদার, শ্রদ্ধা গোস্বামী, হাজীগঞ্জ উপজেলার অনন্ত দে অপু, চাঁদপুর সদর উপজেলার স্বর্ণালী সরকার, হাজীগঞ্জ উপজেলার শ্যামা রাণী দাস, চাঁদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণকলি দেবনাথ, সানজিদা আলম সাঞ্জু, হাজীগঞ্জ উপজেলার মৌমিতা সাহা, চাঁদপুর সদর উপজেলার আরশি নুর, নিঝুম দাস, নিয়ন্তা সরকার, শ্রাবণ দাস, আরুশি সরকার ও দেবরাজ সরকার।
দ্বিতীয় রাউন্ডে ৩০ নাম্বারের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮.২৫ নাম্বার পেয়ে প্রথম হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার সানজিদা আলম সাঞ্জু, ২৮ নাম্বার পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন একই উপজেলার কৃষ্ণকলি দেবনাথ এবং ২৭ নাম্বার পেয়ে যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যাশা আচার্য প্রাচী ও একই উপজেলার অনন্ত দে অপু।







