প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০২:০৬
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দু পাশ সওজের উচ্ছেদের পর বাধাহীন পুনঃদখলের মহোৎসব!
ভাড়া ও এডভান্স কে নিচ্ছে?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে গেলো মে মাসে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বেদখলে থাকা সম্পত্তিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করে সড়ক ও জনপথ (সওজ)। ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদকৃত সকল সম্পত্তি বাধাহীনভাবে ফের বেদখলে চলে যাচ্ছে। অনেকটা খুব দ্রুত গতিতে দখল হচ্ছে সওজের উচ্ছেদকৃত সকল সম্পত্তি। এ নিয়ে সওজ কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে।
|আরো খবর
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সড়কের দুপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে গত মে মাসের প্রথমদিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দুপাশে সওজের বেদখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধারে নামে সওজ বিভাগ। এর ধারাবাহিকতায় তালতলা, ষোলঘর, ওয়্যারলেস বাজার, বাবুরহাট, মিয়ার বাজার, মহামায়া, দেবপুর, বাকিলা, বলাখাল ও ধেররাসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
তবে উচ্ছেদের এক সপ্তাহ না পেরোতেই পুরোনো দখলদাররা ফের দখল কার্যক্রম শুরু করে। স্থানীয়দের দাবি, এবার আগের তুলনায় আরও দ্রুত গতিতে দখল হচ্ছে। গত কয়েক দিনে বলাখাল, বাকিলাসহ ছোট-বড় বাজারগুলোতে সওজের উচ্ছেদকৃত অংশের প্রায় ৫০ ভাগ পুনরায় বেদখলে চলে গেছে।
বলাখাল বাজারের জাহাঙ্গীর নামের একজন জানান, এবারের দখল “ডিজিটালভাবে” হচ্ছে। দোকানগুলো নাটের মাধ্যমে তৈরি থাকায় উচ্ছেদের সময় সহজে খুলে ফেলা হয় এবং পরে আবার একই জায়গায় এনে জোড়া লাগানো হয়। এতে দখলদারদের সময় ও অর্থ দুটোই বেঁচে যাচ্ছে।
বাকিলা বাজারের এক দখলদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কম ভাড়া ও কম এডভান্সে বসতে পারায় তারা এসব স্থানে দোকান করছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, এই ভাড়া ও এডভান্স কার কাছে যাচ্ছে।
মহামায়া বাজারের সিফন নামের একজন জানান, অধিকাংশ দোকান নাটের ওপরে তৈরি করা হয়েছে। উচ্ছেদের সময় নাট খুলে ঘর সরিয়ে রাখা হয় এবং পরে আবার সহজেই বসিয়ে দেওয়া হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (সড়ক শাখা-১) আবু হানিফ জানান, যেখানে পুনরায় দখলের ঘটনা দেখা যাচ্ছে সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নেবেন বলে তিনি জানান।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








