বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ২১:২৭

ওয়্যারলেস মোড় সড়কে টিআই প্রবীর কুমার দাসের ডিভাইডার স্থাপন

ওয়্যারলেস মোড় সড়কে টিআই প্রবীর কুমার দাসের ডিভাইডার স্থাপন
অনলাইন ডেস্ক

চাঁদপুরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর-টিআই (এডমিন) প্রবীর কুমার দাসের ব্যক্তিগত উদ্যোগে শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় ওয়্যারলেস মোড়ের তিনটি সড়কে ডিভাইডার স্থাপন করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পর থেকেই সেখানে যান চলাচলে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

চাঁদপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ওয়্যারলেস মোড় প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষের চলাচলে মুখর থাকে।

ফরিদগঞ্জ-রায়পুর-লক্ষ্মীপুর রুট এবং হাজীগঞ্জ-কুমিল্লা ও চাঁদপুর শহরমুখী সড়কের সংযোগস্থল হওয়ায় এই মোড় এলাকাটি খুবই ব্যস্ততম। প্রায়শই যানজট লেগে যায়। উল্টোপথে গাড়ি চালানো, যেখানে সেখানে গাড়ি দাঁড় করানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের প্রবণতায় সাধারণ মানুষকে প্রায়শই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন চাঁদপুর ট্রাফিক বিভাগের টিআই (এডমিন) প্রবীর কুমার দাস। তিনি বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রথমে যানজটের কারণগুলো চিহ্নিত করেন। পরে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিজ উদ্যোগে দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর সমন্বয়ের মাধ্যমে ওয়্যারলেস মোড়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ডিভাইডার স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

ডিভাইডার স্থাপনের পরপরই মোড়টির চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। এখন যানবাহন নির্দিষ্ট লেনে চলাচল করছে, উল্টো পথে প্রবেশ অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে এবং মোড়ে আগের মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি আর দেখা যাচ্ছে না। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরে আসায় যানজটও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। একই সঙ্গে পথচারীরাও নিরাপদে রাস্তা পারাপার করতে পারছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন চালক, পথচারী ও সচেতন নাগরিকরা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত কার্যকর ও জনবান্ধব হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, সরকারি বড়ো কোনো প্রকল্প বা দীর্ঘসূত্রিতার অপেক্ষা না করে একজন ট্রাফিক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।

স্থানীয় সচেতন মহল আরও জানান, শহরের যানজট নিরসনে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ। টিআই প্রবীর কুমার দাস সেই বাস্তবতার উদাহরণ তৈরি করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, চাঁদপুর শহরের অন্যান্য ব্যস্ততম মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও যদি একই ধরনের ডিভাইডার ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়, তাহলে পুরো শহরের যানজট পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়