প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২১, ১৩:৪০
কোপা আমেরিকা-২০২১ : চাঁদপুর সরকারি কলেজ আর্জেন্টিনা ও চাঁদপুর পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ ব্রাজিল

আগামীকাল সকালে কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্ণামেন্টকে কেন্দ্র করে সর্বত্রই এখন ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে চলছে উন্মাদনা। ছড়িয়ে পড়েছে সকল শ্রেণীর পেশার মানুষের মধ্যে। উত্তেজনা রয়েছে প্রশাসনের সর্বোচ্চ শিখরে, আবার উত্তেজনা রয়েছে গ্রাম এলাকার চায়ের দোকানগুলোতে। এরই ধারাবাহিকতার কীরূপ উত্তেজনা চলছে চাঁদপুর সরকারি কলেজ ও পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজে। চাঁদপুর কণ্ঠ থেকে কথা বলেছি চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ এবং চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারের সাথে।
|আরো খবর
চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ বলেন, যখন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলা হতো, আমি আমার পরিবারকে পর্যবেক্ষণ করতাম। যে দলে সমর্থন কম, আমি সেই দলকে অনিচ্ছাস্বত্বেও সমর্থন করে যেতাম। যাতে মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি ঘরেও উত্তেজনা বেড়ে যায়।
আমার পরিবারে আমার সহধর্মিণী ও আমার মেয়ে ব্রাজিলের সমর্থন করে। খেলার সময় আমার ছেলেটা একাকীত্ববোধ করে। তখন বাপ-বেটা একত্র হয়ে যেতাম। ফলে ঘরে উত্তেজনাটা বেড়ে যেত। আর আগামীকাল আমার বাসায় রোববারের উত্তেজনা কী হবে, তা ভেবেই পারছি না।
তবে হ্যাঁ! আমি মনে প্রাণেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি। সেই দূরন্ত ফুটবলার ম্যারাডোনার ধারাবাহিকতায় আসলো মেসি। মূলত: এই দু’জনের খেলায় মুগ্ধ হয়েই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করা।
অপরদিকে পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার বললেন ভিন্ন কথা।
তিনি বলেন, আমি ছোটকাল থেকে ব্রাজিলকে সমর্থন করি। আর শত ব্যস্ততার মাঝেও যখনই শুনি ব্রাজিলের খেলা আছে, সব কাজ ছেড়ে চলে যাই টিভির পর্দায়। যদি আমার পরিবারের কথা বলি, তাহলে আমি সৌভাগ্যবান। কারণ, আমার পরিবারের সবাই ব্রাজিলকে সমর্থন করে।
পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে ব্যতিক্রমধর্মী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় যে, পরিবারের কর্তা হিসেবে ভয়ে কী পরিবারের সবাই ব্রাজিলকে সমর্থন করছে? তিনি হেসে বললেন, আমার পরিবারের মানুষগুলো এতোটাই ব্রাজিল সমর্থন নিয়ে উন্মাদনায় থাকে যে, আমি যদি আর্জেন্টিনায় সমর্থক থাকতাম, তাহলে আমাকেও ওরা বাধ্য করতো ব্রাজিল সমর্থনে।
পরিশেষে চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অসিত বরণ দাশ এবং পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার এক অর্থেই বলেন, খেলা নিয়ে উত্তেজনা থাকবেই। পাশাপাশি আমাদের কলেজগুলোর ছাত্র-ছাত্রীদের এই খেলা নিয়ে মজার মজার ডিবেট হবে। তবে মনে রাখতে হবে, এই উত্তেজনা, এই ডিবেট যেন আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি না হয়। জেলার সর্বত্রই যেন মজার ডিবেট নিয়ে খেলার সমাপ্তি ঘটে-এ কামনাই করি।