প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৫
পাবনার জিয়া হায়দার এবং জিয়া হায়দারের পাবনা

মো. শেখ হাকিম উদ্দিন ও রহিমা খাতুন দম্পতির ১ম পুত্রসন্তান হিসেবে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ নভেম্বর পাবনার দোহারপাড়া গ্রামে এক বিত্তবান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন শেখ ফয়সাল আবদুর রউফ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন হায়দার। শিক্ষাসনদে অবশ্য তাঁর নাম আবদুর রউফ মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন হায়দার।
|আরো খবর
পরিবারে তিনি বড়দের কাছে রউফ এবং সহোদরদের কাছে সোনাভাই হিসেবে সম্বোধিত হলেও সাহিত্যাঙ্গনে জিয়া হায়দার হিসেবেই পরিচিত।
পাবনায় জন্মগ্রহণ এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করলেও মৃত্যুর আগপর্যন্ত পাবনা শহরে তিনি পারিবারিক গণ্ডির বাইরে তেমনভাবে পরিচিত ছিলেন না। ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি পাবনায় আমার এক ব্যক্তিগত পরিদর্শনজনিত অভিজ্ঞতার কারণে এই প্রতীতি জন্মেছে।
দিনব্যাপী এই সফরের সময় পাবনায় জিয়া হায়দারের স্মৃতিধন্য ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির সাথে আলাপচারিতায় তা আবিষ্কার করেছি।
জানা মতে, জিয়া হায়দার নিজ গ্রামে পিতার প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাক্রমের সূচনা করেন। পর্যায়ক্রমে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে গোপালগঞ্জ ইনস্টিটিউট থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে ঐতিহ্যবাহী পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাঠ সম্পন্ন করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর বয়স পর্যন্ত পাবনায় অবস্থান, সাহিত্যচর্চা এবং নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও বর্তমান সময়ের সংশ্লিষ্ট অঙ্গন ও প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যক্তিবর্গ তা জানেনই না! পারিবারিক গণ্ডির বাইরে জিয়া হায়দার সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য নেই। ব্যতিক্রম কেবল ছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান।
সাহিত্যাঙ্গনে সুপরিচিত জনাব মোস্তাফিজুর রহমান জানতেন আমাদের আলোচ্য জিয়া হায়দারের অনবদ্য কীর্তির কথা। তিনি পাবনায় জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই উদ্যোগ নেন জিয়া হায়দারের পৈতৃক বাড়ির সম্মুখস্থ সড়কটি তাঁর নামে নামকরণের। যদিও নামফলক স্থাপিত হয়েছে, তথাপিও ইতোমধ্যে এই সড়কের নামকরণ নিয়ে কোনো সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়নি। আমি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে সাক্ষাতের চেষ্টা করেও সেদিন সুযোগ পাইনি। আমার প্রত্যাশা, সড়কের নামকরণটি যেন শুধু ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে সরকারি অনুমোদন পায়।
পাবনায় প্রতিষ্ঠিত উপমহাদেশের প্রথম মানসিক হাসপাতাল পরিদর্শন করেছিলাম আমার এই সফরকালে। জিয়া হায়দারের কাছ থেকেই এই হাসপাতাল সম্পর্কে বিস্তারিত শুনেছিলাম। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়স্থ তৎকালীন চারুকলা বিভাগের নাট্যকলা শাখার শিক্ষার্থী থাকাকালে, সেই সময় চারুকলা বিভাগের সঞ্জয় থিয়েটার স্টুডিওতে জিয়া হায়দার রচিত ও রহমত আলী নির্দেশিত নাট্যকলার তৎকালীন শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গঠিত ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যদল’ প্রযোজিত ‘উন্মাদ সাক্ষাৎকার’-এর ১ম মহড়ার দিন এটি আলোচনায় আসে।
এডগার অ্যালান পো-র ছোটগল্প ‘দ্য সিস্টেম অব ডক্টর তার অ্যান্ড প্রফেসর ফেদার’ অবলম্বনে জিয়া হায়দার রূপান্তরিত ‘উন্মাদ সাক্ষাৎকার’ শিরোনামে রচিত নাটকের মহড়ায় প্রায়শই জিয়া হায়দার উপস্থিত থাকতেন এবং নাটকটি রচনার প্রেক্ষাপট ও তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহের কথা ব্যক্ত করতেন; যার মধ্যে নিজ বাড়ির কাছেই অবস্থিত পাবনা মানসিক হাসপাতালের কথা মুখ্য হয়ে আসতো। কারণ, এই হাসপাতালটিকে কাছ থেকে জিয়া হায়দার অবলোকন করেছিলেন। তাঁর সেই কথামালায় মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের প্রতি জিয়া হায়দার-এর মমত্ববোধ, তাঁদের অধিকার ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো মানবিকতায় পূর্ণ।
জীবদ্দশায় বিভিন্ন সময়ে নাট্যকলার উচ্চতর পাঠ গ্রহণের জন্যে বিদেশে অবস্থানকালে বিশ্বের বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসাকেন্দ্র জিয়া হায়দার পরিদর্শন করেছিলেন এবং আলোচ্য ছোটগল্পটি তাঁকে বেশ আকর্ষণ করেছিলো। মানসিক রোগীদের প্রতি বৈশ্বিক আচরণের বৈপরীত্যের তুলনামূলক অবস্থা ও অবস্থান বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মান ও গুরুত্ব এবং মানসিক রোগীদের মানবাধিকারের সপক্ষে জিয়া হায়দারের অঙ্গীকার ছিলো সুদৃঢ়। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর স্ত্রীর মানসিক রোগ এবং তাঁদের দাম্পত্য জীবনে এর প্রভাব তাঁর মধ্যে এরূপ উপলব্ধি গড়ে তুলতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলো বলে আমার বিবেচনা।
ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের বাইরেও জিয়া হায়দারের সাথে আমার এক আত্মিক যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল ‘থেরাপিউটিক থিয়েটার’ভিত্তিক মনোচিকিৎসা পদ্ধতিতে আমার আগ্রহ এবং এই ধারার নাট্যবিজ্ঞানের অনুশীলন নিশ্চিত করতে আমার প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের কারণে। নাটকের নান্দনিকতায় মনোচিকিৎসায় প্রতিবিধানমূলক বা নিরাময়ধর্মী নানান নাট্যক্রিয়া চর্চায় কর্মরত বিধায় আমি পাবনায় গিয়েই প্রথমে চলে যাই হেমায়েতপুরে অবস্থিত ‘পাবনা মানসিক হাসপাতাল’ পরিদর্শনে। সেই পর্যবেক্ষণ নিয়ে অন্য কোথাও আলোকপাত করবো।
মানসিক হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে যাই পাবনা শহরস্থ আরিফপুর কবরস্থানে, যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন প্রিয়ভাজন জিয়া হায়দার। দুরারোগ্য ক্যানসার রোগে ভুগে ঢাকাস্থ সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ২ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কবরস্থানের প্রবেশদ্বারের ২০ গজের মধ্যে তাঁর কবরটির অবস্থান হলেও স্থাপিত স্মৃতিফলকটি মলিন হয়ে উবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তাঁর পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ প্রত্যাশা করেছি।
কবরস্থান থেকে চলে যাই দোহারপাড়াস্থ জিয়া হায়দারের পৈতৃক বাড়িতে। যৌথ পরিবার হলেও প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত বাড়িটিতে অগ্রজ বা অনুজদের কেউই ছিলেন না। তবে জিয়া হায়দারের স্মৃতিধন্য এই বাড়িটি সংরক্ষণ করতে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি। জিয়া হায়দার কর্তৃক ব্যবহৃত উপকরণ, তাঁর নানান ধরনের ছবি, সনদ, প্রকাশনা, সৃষ্টি ও কর্মের ইতিবৃত্ত নিয়ে পৈতৃক এই বাড়িতেই গড়ে তোলা সম্ভব ‘জিয়া হায়দার কমপ্লেক্স’।
এই সংক্রান্ত উদ্যোগের সপক্ষে তাঁর পরিবার ও স্থানীয় প্রশাসনের, এবং বিশেষ করে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা আমাদের আশান্বিত করবে। যে কোনো এক পক্ষের উদ্যোগী ভূমিকা আশা করছি। তাঁর জন্ম বা মৃত্যুদিবসকে প্রাধান্য দিয়ে উক্ত প্রস্তাবিত ‘জিয়া হায়দার কমপ্লেক্স’কেন্দ্রিক প্রতিবছর আয়োজন করা যেতে পারে ‘জিয়া হায়দার মেলা’।
‘জিয়া হায়দার মেলা’ আয়োজনের উক্ত প্রস্তাবনার সপক্ষে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলে তাঁকে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন কর্তৃক দেওয়া ‘নাট্যযুধিষ্ঠির’ বিশেষণ প্রকৃত অর্থে সার্থকতা পাবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের বর্তমান নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আলোচ্য পৈতৃক বাড়ির সামনের সড়কটি জিয়া হায়দারের নামে নামকরণ হলেও স্থানীয় লোকজন এ বিষয়ে অবহিত নন বলে জানান। এমনকি যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জিয়া হায়দার প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন, সেই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও জানেন না এই তথ্য। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন, এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হোক ‘জিয়া হায়দার প্রাথমিক বিদ্যালয়’।
এরপর যাই জিয়া হায়দার যে ঐতিহ্যবাহী ‘পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ’ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পঠন-পাঠন সম্পন্ন করেছিলেন, সেই স্মৃতিধন্য বিদ্যাপীঠে। এখানেও একই অবস্থা। বর্তমান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ কেউই তাঁর নাম শোনেননি। কলেজের জনৈক শিক্ষকের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে আলাপচারিতায় রত একদল শিক্ষার্থীকে ‘নাট্যাধার’ প্রবর্তিত জিয়া হায়দার নাট্যপদকের ফোল্ডার দিয়ে বললাম—ইনি পাবনার সন্তান, এই কলেজের ছাত্র ছিলেন। তারা সকলেই বিস্মিত হলো এবং অঙ্গীকার করলো এই প্রসঙ্গে ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে। পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে জিয়া হায়দারের নামে একটি মুক্তমঞ্চ বা একটি মিলনায়তন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর স্মৃতিধন্য কলেজ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করতে পারে।
গুণীর প্রতি যথাযথ সম্মান না দিলে সে দেশে গুণীর জন্ম হয় না। নাটকের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যময় অবদান রাখা জিয়া হায়দারের নাট্যকীর্তির প্রতি পাবনার শিল্প-সাহিত্য ও নাট্যাঙ্গনের ভূমিকাও প্রশ্নাতীত। সেদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় নাট্যদল ‘ড্রামা সার্কেল’ কার্যালয়ে যাই এবং মিলিত হই এই নাট্যদলের নাট্যকর্মীদের সাথে। নিজস্ব মহড়া কক্ষে ড্রামা সার্কেল-এর প্রবীণ ও নবীন নাট্যজনদের সাথে আলাপচারিতায় যখন বললাম যে, জিয়া হায়দার পাবনার সন্তান, তাঁর রচিত, রূপান্তরিত, অনূদিত এবং নাট্যবিষয়ক অর্ধশত গ্রন্থ আছে, তখন সবারই চোখ ছানাবড়া! দলটির প্রযোজনা তালিকায় জিয়া হায়দারের কোনো নাটক নেই, অথচ তাদের প্রযোজনা সংখ্যা ৪০টি। অনুরোধ জানালাম জিয়া হায়দারের একটি নাটক মঞ্চায়নের উদ্যোগ নিতে।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে যোগ দেওয়া একজন প্রবীণ নাট্যজন জানালেন যে, সংগঠনটি জিয়া হায়দারের মৃত্যুর পর জাতীয় পত্রিকায় তথ্য দেখে শোকসভার আয়োজন করেছিলো। তাঁর সম্পর্কে বা তাঁর পরিবার সম্পর্কে তারা তেমন কিছুই জানেন না। অথচ পাবনা শহর থেকে মাইল তিনেকের মধ্যেই জিয়া হায়দারের বাড়ি, সমাধিস্থল এবং তাঁর স্মৃতিধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের অবস্থান।
নাটক ও নাট্যচর্চার ইতিহাসে ‘নাট্যযুধিষ্ঠির’ খ্যাত জিয়া হায়দার তাঁর জন্মভূমে এমন ম্লান ও মলিন হয়ে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হারিয়ে যাবেন, এটা সত্যিই বেদনাদায়ক।
নাট্যাঙ্গনের এই জ্যোতিষ্ক এবং তাঁর সৃষ্ট নাট্যকর্ম যেখানে তাঁরই জন্মস্থান পাবনার নাট্যকর্মী ও নাট্যদলের কাছে উপেক্ষিত; সেখানে প্রচারবিমুখ জিয়া হায়দারের নাট্যকীর্তিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব চট্টগ্রামবাসী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে, যেখানে তিনি জীবনের ও জীবদ্দশার উল্লেখযোগ্য সময় পার করেছেন এবং বহুমাত্রিক অবদান রেখেছিলেন। নবপ্রতিষ্ঠিত চারুকলা ইনস্টিটিউট, স্বতন্ত্র নাট্যশিল্প বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ চট্টগ্রামের শিল্প-সাহিত্য-নাট্যাঙ্গন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সেই যৌক্তিক আবেদন রইলো।
কারণ এই চট্টগ্রামেই জিয়া হায়দার দেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক নাট্যশিক্ষার চর্চার সূত্রপাত করেছিলেন। এই চট্টগ্রামের নাট্যাঙ্গনেই তিনি তাঁর সুবর্ণ সময় ও মেধাভিত্তিক নানান বিষয়ের ব্যাপ্তি ঘটিয়েছিলেন; প্রভাবিত করেছেন চট্টগ্রামের শিল্প, সাহিত্য এবং নাট্যকর্মীদের তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি ও কর্মের মাধ্যমে। তাঁর সকল রচনাকর্মের স্থানিক সংশ্লেষণ ঘটেছে এই চট্টগ্রামে, যা বিশেষ গবেষণার দাবি রাখে।
পরিশেষে ‘পাবনার জিয়া হায়দার এবং জিয়া হায়দারের পাবনা’ শিরোনামে আমার একদিনের পরিদর্শনের ইতিবৃত্ত পাঠকের জন্যে তুলে ধরে ইঙ্গিত করছি ‘চট্টগ্রামে জিয়া হায়দার এবং জিয়া হায়দারের চট্টগ্রাম’ শিরোনামে তথ্যবহুল স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ, নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও কার্যকরী উদ্যোগের অভিপ্রায়ে।
লেখক : নির্বাহী পরিচালক, উৎস, চট্টগ্রাম। দূরভাষ : ০১৮১৯৫১৪৫৬৪








