মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬

ফরিদগঞ্জে পাঠাগারের উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমাতে ও বইপড়ায় আগ্রহী করে তুলতেই 'জ্ঞানকুঞ্জ পাঠাগার' কর্মসূচি

প্রবীর চক্রবর্তী
শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমাতে ও বইপড়ায় আগ্রহী করে তুলতেই 'জ্ঞানকুঞ্জ পাঠাগার' কর্মসূচি

ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। দিনব্যাপী সফরের অন্যতম প্রধান কর্মসূচি ছিলো উপজেলার চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘জ্ঞানকুঞ্জ পাঠাগার’-এর উদ্বোধন। ে‘বই পড়ি, জ্ঞান গড়ি, আলোকিত মানুষ হই’ প্রতিপাদ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক প্রধান অতিথি হিসেবে পাঠাগারটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনশেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের সাথে গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমানে শিশুরা মায়ের কোল থেকেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমাতে এবং বইপড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই এই লাইব্রেরি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বকে জানতে হলে লাইব্রেরিমুখী হতে হবে। আমাদের বর্তমান প্রজন্ম বই ও লাইব্রেরি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শিশুদের লাইব্রেরিমুখী করতে শিক্ষক-অভিভাবক সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুরা যতো বেশি বই পড়বে, ততো বেশি জ্ঞান অর্জন করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এআরএম জাহিদ হাসান, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা, গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম শেখ, চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

এর আগে জেলা প্রশাসক চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে তিনি গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ এবং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং ডিজিটাল সেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি জনকল্যাণমুখী ও মানবিক প্রশাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেবার মান বৃদ্ধি, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের সব সেবা দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্তভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়