প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪
ফরিদগঞ্জে উচ্চশব্দে মাইকিং ও পণ্য বিক্রি রোধে ইউএনও’র কাছে গণস্বাক্ষর জমা

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মূল সড়ক থেকে শুরু করে গ্রামের আনাচেকানাচে সর্বত্র লাউডস্পিকারে গান বাজিয়ে ও উচ্চশব্দে মাইকিং করে পণ্য বিক্রির হিড়িক চলছে। পাশেই স্কুল-মাদরাসা কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে কি না, সেদিকে যেন কারো ভ্রূক্ষেপ নেই। দিন দিন এই প্রচারণা বাড়ার সাথে সাথে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে শব্দদূষণ।
|আরো খবর
এমন পরিস্থিতি থেকে প্রতিকার পেতে ও উচ্চশব্দে মাইকিং বন্ধের দাবিতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌর প্রশাসক বরাবর গণস্বাক্ষরযুক্ত আবেদন করেছেন পৌর এলাকার ভাটিরগাঁও ও রুদ্রগাঁও গ্রামের বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর পক্ষে আবেদনকারী মো. মেহেদী আশরাফ লিমন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের এলাকাসহ আশপাশের সব অঞ্চলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভ্যান ও ইজিবাইকে লাউডস্পিকার বাজিয়ে ফেরি করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। তীব্র এই প্রচারণার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাস্তার পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক পাঠদান ও মসজিদে নামাজ আদায়ে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়া বয়োবৃদ্ধ, শিশু এবং হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা তীব্র শারীরিক ও মানসিক কষ্টে ভুগছেন।
তিনি আরও বলেন, উচ্চশব্দে মাইক বাজাতে নিষেধ করে ফেরিওয়ালাদের ছোট হ্যান্ডমাইক ব্যবহারের পরামর্শ দিলে কোনো পরিবর্তন তো আসেইনি, উল্টো তারা অশালীন আচরণ ও গালমন্দ করে।
‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা’ অনুযায়ী বিনা অনুমতিতে আবাসিক এলাকায় উচ্চশব্দে মাইকিং করার ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তির বিধান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "জনভোগান্তি লাঘবে আমরা গত ২৬ অক্টোবর ইউএনও মহোদয়ের কাছে গণস্বাক্ষর সম্বলিত আবেদন জমা দিয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন এবং ইতিবাচক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।"
এ ধরনের উদ্যোগের ফলে এলাকায় শান্তি ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।








